আঠারো আনার শেষে

আরণ্যক বসু
কবিতা
Bengali
আঠারো আনার শেষে

আর কিচ্ছু না

(আঃ, বেঁচে থাকা কী সুন্দর!, দেখা হলো ভালোবাসা বেদনায়
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

সব ঠিক হবে?
ঠিক হবে সব?
ঠিকঠাক সব হবে?
অলকানন্দা ঝাঁপিয়ে পড়বে
দুরন্ত উৎসবে?
চোখ খুললেই চেতনার রঙে
পান্না সবুজ বনে?
শীত ফিরে গেলে প্রিয় ঋতুরাজ
অনুভবে, অকারণে!
সব ঠিক হবে?
ঠিক হবে সব?
ঠিকঠাক সব হবে?

আকাশ আবার দিগন্ত ছুঁয়ে
মাটির গন্ধ নেবে?
সুধা অমলকে নীলাকাশ দেবে
হঠাৎ কিছুনা ভেবে?
কেউ থাকবে তো
রবিঠাকুরকে
প্রণাম পাঠিয়ে দিতে?
পঁচিশে-বাইশে ফের দেখা হবে
নিভৃতের নিভৃতে?
সব ঠিক হবে?
ঠিক হবে সব?
ঠিকঠাক সব হবে?

এক কাপ চায়ে তুফান উঠবে?
ঢেউ কি পায়ের পাতায়?
রাধাচূড়া দেবে খুনসুটি হাসি,
ছোট্টবেলার ছাতায়?
দুটো হাত ছোঁবে আঙুলে আঙুলে,
ভিক্টোরিয়ার ঘাসে?
কলেজের পথে চোখাচোখি হবে,
গড়িয়াহাটার বাসে?
সব ঠিক হবে?
ঠিক হবে সব?
ঠিকঠাক সব হবে?

পার্লামেন্টে, বিধানসভায়,
কথা কাটাকাটি তর্কে?
নিঝুম স্টেশনে দুটি কবিমন
আপন করবে পরকে?
ভাঙা দেউলের দেবতা কি পাবে
ফুল বাতাসা ও জল?
কথা যে কখন কবিতায় হাসে
ভেবেই পাবেনা তল!
সব ঠিক হবে?
ঠিক হবে সব?
ঠিকঠাক সব হবে?

সব ঠিক হলে চিরকুট দেবো,
শূন¨ পলাশ ডালে?
পথের উনুন খিচুড়ি চাপাবে,
পাঁচমিশালির চালে?
একুশে উনিশে বাংলা ভাষায়,
কত কথা কানাকানি,
ঠোঁট থরথর অবাক চিবুকে,
তোর,শুধু তোর বাণী!
সব ঠিক হবে?
ঠিক হবে সব?
সব ঠিকঠাক হবে?

পালক ছড়াবে সারা আকাশের
ডানা ও শঙ্খচিলে?
শেষ রাতে মৃদু সানাই বাজবে,
মোহব্বতের মিলে?
নামাজের শেষে হাসিহাসি ফোনে
কবি রেদোয়ান ভাই,
আবার বলবে — কবে আসছেন?
কোনো সমস্যা নাই।
সব ঠিক হবে?
ঠিক হবে সব?
ঠিকঠাক সব হবে?

প্রবাসীর বুকে লুটিয়ে থাকবে,
মায়ের আঁচল, হাসি?
কনে দেখা আলো
শুনতে কি পাবে,
কৃষ্ণকালার বাঁশি?
শ্রাবণের চাঁদ মাঝরাতে একা
ভরা ছাতিমের গাছে?
তিনটে শালিক আবার বসবে
রান্নাঘরের কাছে?
সব ঠিক হবে?
ঠিক হবে সব?
ঠিকঠাক সব হবে?

সব ঠিক হলে, লুটোপুটি প্রেমে,
এই ভাব! এই আড়ি?
আন্ডিজ আর ইনকার ডাকে
উধাও উড়ানে পাড়ি?
প্যাডেল দাপানো পাগল পাগল
দু-চাকার দুনিয়ায়?
উন্মাদ মনে যা ইচ্ছে তাই,
যেদিকে দুচোখ যায়!
সব ঠিক হবে?
ঠিক হবে সব?
ঠিকঠাক সব হবে?

সব ঠিক হলে বেরিয়ে পড়বো,
লালনের গানে গানে,
বাকি জীবনটা–
আর কিচ্ছু না,
কিচ্ছু না আর–

প্রাণের অতলে, প্রাণে!

সব ঠিক হবে?
ঠিক হবে সব?
ঠিকঠাক সব হবে?

আঠারো আনার শেষে

(ওগো, ভালো করে বলে যাও।
বাঁশরী বাজায়ে যে কথা জানাতে
সে কথা বুঝায়ে দাও।
–ভালো করে বলে যাও//
মানসী //রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর )

বেপরোয়া মনে ভরা প্লাবনের শুধু
ছারখার ঢেউ,
কিন্তু রাধার যন্ত্রণা বোঝে? কৃষ্ণ
নামের কেউ?
কৃষ্ণ এখন আঘাটা পেরিয়ে
জনপ্রতিনিধি হবে,
শেষরাতে ভীরু চাঁদের সঙ্গে রাধা
ঝরে গেল তবে?

ভাত ছড়ালেই কাক জুটে যায়
চেনা পৈতের দেশে,
তিন পয়সার পালায় ক্যামেরা হাই
তোলে অবশেষে।

আমার রাধা তো নিশি আভা মেখে,
শ্বশুরের ঘর ছেড়ে,
দুধের বাচ্চা সামলে আবার
বিদ্যাসাগরে ফেরে।

মথুরার রাধা বাসস্টপে একা
দুরুদুরু উড়ু হিয়া,
দাঁত দেখাচ্ছে লুঠেরা জামানা-
পরকীয়া পরকীয়া…

ঘরে বাইরের বিমলা জেনেছে,
শ্যাম নিলো নাকছাবি,
নীল আকাশের নীচেই হারালো
ঘরে ফেরবার চাবি।

আমার রাধা তো কণ্ঠী-বদলে
আজও আজও বিশ্বাসী,
ব্যাঙ্কেও কোনো আ্যকাউন্ট নেই,
এমন সব্বনাশী!
দুটো মেয়ে আছে,ওমা খেতে দাও–
অবোধ কন্যাভ্রুণ,
ঘুরে দাঁড়ালেই দুমুঠোর পাশে আর
জুটবেনা নুন।

রাধা জানতো না, ষোলোআনা মানে,
শুধু বেলপাতা ফুল,
আঁচল ওড়ানো ঝড় হতে চাও?
খুলে দিতে হবে দুল।

তবু হৃদয়ের ওঠা ও নামায়
কী প্রবল দাপাদাপি!
বাঁশির বিরহ বাসি হয়ে গেলে,
শোনো রাধা, তুমি পাপী!

না বলা বাণীতে,ঘন-যামিনীতে
কতো না কন্ঠ সাধা,
বৃন্দাবনের সতী-পার্বনে
শুধু ধরা পড়ে রাধা?

মেয়েটির তাতে কিছু আসে যায়?
বলো অনুভব, বলো?
চিত্রাঙ্গদা গান্ডীব নিলে
কৃষ্ণ কি টলোমলো?

রাধা তো আবার হাল ভাঙা খেয়া
আঠারো আনার শেষে,
যুগে যুগে তারা মরে,শুধু মরে,
ভালোবেসে ভালোবেসে।

ওগো ছারখার, তুমি ছারখার,
শুধু ছারখার ঢেউ,
দ্রুপদকন্যা, তোমাকে বুঝেছে?
অর্জুন নামে কেউ?

 

মুখের অনেকটা আঁচলে ঢাকা

(হৃদয়নন্দনবনে নিভৃত এ
নিকেতনে এসো আনন্দময়,
এসো চিরসুন্দর // গীতবিতান, পূজা ১৬৮)

গ্রীলের বাইরে থেকে হাত বাড়িয়ে
দিয়েছে
পরিবারবন্ধু কাজলদি,
মাস মাইনের প্রাপ্যটুকু অসহায়
দুহাত বাড়িয়ে নিচ্ছে।
তার সঙ্গে এ বাড়ির দিদিভাইয়ের
হাত থেকে ব্যাগ ভর্তি সবজির
ভালোবাসা।
সাত সকালের আলো আর
দিনশেষের রাঙা মুকুল নীল
ক্যানভাসে ছবি আঁকা ভুলেই গেছে।
সারাটা মেঘ রোদ্দুর বৃষ্টির
আকাশ, মা বসুন্ধরার কানে কানে
ফিসফিস করে বলছে — বাঁচিয়ে
রাখো,বাঁচিয়ে রাখো,বাঁচিয়ে রাখো।
পৃথিবীর গান আকাশকে বলছে—
মনে রেখো, মনে রেখো বন্ধু।

কেউ কারও হাত ছুঁয়ে বলতে
পারছিনা-
ও দিদি, তুমি কবে থেকে আবার
আসবে গো?
সেই কাজলদি, নীলাকাশের সাড়ে
তেইশ বছর ধরে শুধু আদুরে
ডাক– ও কাজল পিসি,ও কাজল
পিসি,ও কাজলপিসি–
মাঝবয়সী শ্যামলা মুখের
অনেকটা ভয়ের আঁচলে
ঢাকা,চোখে যেন দু দুটো বিশ্বযুদ্ধের
আতঙ্ক!

মতিঝিলে জুজুলদির
বাড়িতে,ঘরের মেয়ে নাসিমার
জন্যে মাস মাইনের টাকা গোকুলে
মাস মাইনের টাকা গোকুলে
বাড়লেও,
তার হাতে পৌছচ্ছে না কিছুতেই।
যোগাযোগহীন মেয়েটার পক্ষে সেই
বামনগাছির ঝুপড়ি থেকে দমদম
আসা সম্ভব?
খেটে খাওয়া নারীশক্তি
নাসিমা আজ তাই ঘরে বসা, প্রায়
কোলকুঁজো চাচাকে নিয়ে
লঙ্গরখানার ডাল ভাত তরকারির
লাইনে,কঠোর সোস্যাল
ডিসট্যান্সিং মেনে একঠায়ে
দাঁড়িয়ে। নিঃস্ব মুঠি, বিবর্ণ মুখ।

মুখে সারাক্ষণ কিশোরকুমার লেগে
থাকা কেশ-শিল্পী বিশুদার অক্লান্ত
চিরুনি- ক়াঁচি,আমার চুলকে চেনে
আজ তিন দশক প্রায়,
ধ্বস্ত, বিবিক্ত সেই বিশুদা এখন
নিজেই মহাশূন্যতামাখা কর্মহীন।
অসহায় রাজকুমার, পাড়ার
ইস্ত্রিভাই,জেলা পূর্ণিয়া,উত্তর বিহার,
শুধু ফ্যালফ্যাল তাকিয়ে ক্রমশ
ব্যালেন্স ফুরিয়ে আসা
মুঠোফোনের দিকে;
যদি দেহাতের লাজুক ঘরণীর ভীরু
কন্ঠে ভেসে আসে — কব আয়োগে
জী?

ও কাজল পিসি,ও নাসিমা বন্ধু, ও
জুজুলদি,
ও নীলাকাশের মা–এসো, আমরা
যে যার ঘরের জানলা খুলে
বিসর্জনের ক্রোধী রঘুপতি হয়ে
চিৎকার করি — উচ্ছন্ন! উচ্ছন্ন যাও!

যাকে চোখে দেখা যায়না,সেই
অদৃশ্য মানতার চোখে চোখ রেখে
বলো– উচ্ছন্নে যাও,কুৎসিত
শত্রু– উচ্ছন্নে যাও।

জলে কুমীর,ডাঙায় বাঘ,
বাইরে মৃত্যুদূত, আর ঘরে বুকের
ওপর চেপে বসা কর্মহীন
ভবিষ্যতের লাগাতার দুঃস্বপ্ন!
একদিকে দাঁতে দাঁত চেপে লড়াকু
বিজ্ঞানী,ডাক্তার,নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী,
সাংবাদিক, প্রশাসন, অন্যদিকে
দুশ্চিন্তার মহাসাগরে হাবুডুবু
তামাম পৃথিবীর অর্থনীতিবিদ।

বহুদূর থেকে বনের পাখির কান্নার
রুদ্ধসঙ্গীত শুনে
কানে তুলো গুঁজে দিচ্ছে ভয়ের
গর্তে সেঁধিয়ে যাওয়া, এই
সেদিনের দামামা বাজিয়ে কামান
দাগা সভ্যতা

গ্রীলের ওপারে টাকার জন্য হাত
পাতা — ও কাজল পিসির
শরীরীভাষায় সত্যিকারের ভয়।

দ্য হাংরি স্টোন আর ক্ষুধিত পাষাণ
সব ঝুট ঝুট হ্যায় বলে চিৎকার করতে
গিয়েও নিজেই নিজের মুখ ঢাকছে
এক টুকরো কালো কাপড়ে।
আকাশ বলছে, মাটি বলছে, ঋতু
বদলের পরমা প্রকৃতি বলছে-
মানুষ, তুমি মানবসভ্যতাকে
বাঁচাও, নয়তো গোলাপের দিকে
চেয়ে কে বলবে- সুন্দর!
প্রাণহীন চুনী কার দৃষ্টির বৃষ্টিপাতে
রাঙা হয়ে উঠবে?

ধৈর্য্য, তুমি আরও কতোটা
ধৈর্য্যশীল হতে পারো,
এখন তারই কঠিনতম পরীক্ষা।

দুঃস্বপ্ন, জাস্ট গেট আউট।

আজ চৈতালি পূর্ণিমা!

(” মনে হয় মহুয়ারই আতর মেখে
তোমার কোলে ঘুমিয়ে পড়ি,
দেখো ওই ঝিলিমিলি চাঁদ
সারারাত আকাশে সলমা জরি,
এই মোম জোছনায় অঙ্গ ভিজিয়ে
এসো না গল্প করি “–)

চাঁদ উঠছে, ভয়ের অন্ধকার দূর
করা এক বিশাল রুপোর থালা
থেকে গলে গলে নামছে, আহা,
ভালোবাসার চন্দ্রমা–
কানের কাছে বিরক্তিকর বেজে
ওঠা কাঁসর ঘন্টা,
ধানিপটকাগুলো আপাতত চুপ
করে গেছে।
এবার তুমি, আকাশ থেকে
আকাশে নিঃশব্দে হেসে
ওঠো, শ্যামলিমা
আজ যে বসন্তের শেষ পূর্ণিমা!

আলো,আলো, আলোয় আলো
জীবন চাই।

চা বাগানের উত্তর বাংলায় থাকলে,
গোধূলির আভায় মাখামাখি
ব্যালকনি থেকে তোমাকে
ঝকঝকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখাতে
পারতাম।
সারাটা দিনের আলোয় এখন সে
হৃদয় খুলেছে যে!

সে না হয় নাই হল,
তবু, তোমার রাঢ় বাংলার শালবনে,
পাতায় পাতায় বনদেবীর
কবিতা,স্পষ্ট ফুটে উঠেছে,
একটু অনুভব করলেই দেখতে
পাবে।
তোমার আমার সেই মহানির্জন
স্টেশনের শূন্যতায় বসে,
পথের কবি বিভূতিভূষণ এখন
নতুন অভিযাত্রিক লিখছেন।
লম্বা প্ল্যাটফর্মের অন্যপ্রান্তে
একলা পলাশ গাছটির দিকে
চেয়ে,আপাদমস্তক স্তম্ভিত চাঁদের
গুঁড়ো গুঁড়ো বিন্দু মেখে,
চিরদিনের
জীবনানন্দ যেন কোথায় হারিয়ে
গেছেন!

শ্যামলিমা, আজ যে পাগল
ঋতুরাজের শেষ পূর্ণিমাযাপন!

আলো,আলো, আলোয় আলো
জীবন চাই!

পাঁচপাপড়ির জবা ঝোপের ঘন
সবুজ আড়ালে, উল্টোনো
পেয়ালার মতো
ছোট্ট নীড়ে টুনটুনি দম্পতির ঠোঁটে
ঠোঁট, একটু কিচিরমিচির,দূর
করে দিয়েছে সব ভয়।

আমি যেন স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি–
তোমার একলা ঘরের টেবিলে
আলস্যে শুয়ে আছে
স্বপনবুড়োর বাবুই বাসা বোর্ডিং,
আর জসীমউদ্দীনের ঠাকুর বাড়ির
আঙিনায়।
যাবতীয় বিষণ্ণতা ভুলে, খোলা
জানলার ফাঁক গলে
তাদের ওপরেও,দ্যাখো দ্যাখো,
জোছনা,জোছনা,জোছনার
বুটিকাটা আঁকিবুঁকি!

আলো,আলো,আলোয় আলো
সারা জীবন চাই।

শ্যামলিমা ও শ্যামলিমা
তোমাদের আলিশান ছাদের দরাজ
হৃদয়ে লুটিয়ে আছে
মোমজোছনার রূপকথা!
জোছনা কারোর সঙ্গে আড়ি
করেনা শ্যামলিমা,
জোছনা অসহায় গেরস্থালির শূন্য
দাওয়ায় রেখে আসে চাল, ডাল,
আলু, লাউকুমড়োর স্নিগ্ধ হাসি।
বিপদের চাঁদ সবার বাড়ি যায়–

না, কোনো লুকোনো ক্যামেরার
নজরদারি নেই।
ও বাঁধ ভাঙা উচ্ছ্বসিত চাঁদ,
ও চৈতালি রাতের স্বপ্ন,
এবার বুকের আঁচল সরাও!

আলো,আলো,আলো চাই,
আলোয় আলো মুঠো মুঠো জীবন
চাই শ্যামলিমা!

আরণ্যক বসু। কবি, নাট্যকার ও বাচিকশিল্পী। জন্ম ও বাস ভারতের পশ্চিমবঙ্গরাজ্যের কলকাতায়। প্রকাশিত বই: মেঘ রোদ্দুর নীলাকাশ (প্রতিভাস), শোকসভার পরে এবং অন্যান্য নাটক (একাল), মেঘ চলেছে হলুদ পুকুর (প্রিতম প্রকাশন), ছায়াপথের কাছে ও অন্যান্য নাটক (উ,খন্ড), মন খারাপের ছেঁড়া পাতারা (প্রয়াগ...

এই বিভাগের অন্যান্য লেখাসমূহ

প্রতিভাস

প্রতিভাস

স্পষ্টতা অন্ধকারের মতো স্পষ্টতা আলোর মধ্যগগনে নেই। উত্তাপে ঝলসে যাওয়া চোখে শীতলপাটি বিছিয়ে দেয় রাত…..

চিঠি

ক্ষোভ রোদের দোকানি হয়ে, ছুঁয়ে গ্যাছি দূর পরবাস আলোর ক্রেতারা দেখে, শূন্য ঝুলি খালি সর্বনাশ।…..