আম্মার চুলা

শাহীদ লোটাস
কবিতা
Bengali
আম্মার চুলা

আম্মার চুলা

আমাদের রান্না ঘর ঠিক হলো সেদিন।
আম্মা খুব সুন্দর করে চুলা বানাতে পারে
কিন্তু আমাদের রান্নাঘরের চুলা বানালো
পাশের বাড়ির এক কাজের মহিলা।

আম্মা খুব পরিকল্পনা করে রেখেছিলো
রান্না ঘরের কোথায় চুলাটা হবে
চুলা কেমন হবে
চুলার আগুন আর ধূয়া বাইরের বাতাস এসে
রান্না ঘরের কোন দিকে নিয়ে যাবে।
আগুনের তাপ আর ধোয়া
রান্না ঘরের ক্ষতি না হয়
তাই নিয়ে আম্মা খুব বেশী ভাবতেন।
আম্মার চুলা আম্মা নিজ হাতে বানাবেন
কাউকেই একটু ধরতে দেবেন না।
চুলা বানানোতে আম্মার খুব নৈপুন্নতা আছে
খুব দক্ষই বলা চলে আম্মাকে।

অল্প কাঠ খড়ি দিয়ে অনেক বেশী
রান্না করা যায় আম্মার বানানো চুলাতে।
এতসব গুণ
এতসব স্বপ্ন
এতসব পরিকল্পনা থাকার পরেও
আম্মার চুলা আম্মা নিজ হাতে বানাতে পারলেন না
পাশের বাড়ির কাজের মহিলাই বানালেন।

আম্মার রান্নাঘর আম্মার চুলা সব কিছুই হলো
কিন্তু আম্মা সব ছেড়ে চলে গেলো পরপারে।

 

চাদের আলোয়

সাদা চাঁদ ঝলমলে মিষ্টি আলোর চাঁদ
পৃথিবীতে ফুটে আছে জ্যোৎস্নায়।
আমি তাকিয়ে আছি চাদের দিকে !

চাদের আলো আমার গায়ে মেখে আছে
মেখে আছে আশপাশ চারদিক।
আমি তাকিয়ে আছি চাদের দিকে
জ্যোৎস্না মাখা প্রকৃতিতে।

আম্মাও এভাবে চাঁদ দেখতো
চাদের আলোতে আস্তে আস্তে হাট-তো
কি যে সুখ পেতো তখন তার মুখ দেখেই তা বুঝা যেতো।
আম্মা এই চাদের আলোয় অনেক গল্প করতো
আমি শুনতাম, কখনো বা নিজের মনে
নিজের কাজেই ব্যস্ত হয়ে থাকতাম।

আম্মা আমার আশপাশেই হাহাহাটি করতো
অথবা বসে থাকতো।

আজ আমি চাঁদ দেখছি
আমার পাশে আম্মা নেই !
আম্মা শুয়ে আছে গোরস্থানের ঐ কবরে
চাদের আলোতে আম্মার কবর আলো আঁধারী
আলোকিত হয়ে আছে।

 

খরা রুদ্র

আজ অনেক রোদ, এ চৈত্রের খরতাপ
ঘাস জন্মানো উঠোন, আঙ্গিনা, সব বালুকাময়।
এমন খরতাপ এমন শুষ্কতা
এমন খা খা দুপুর,
অনন্তকাল ধরে চলে আসছে।
অনন্তকাল ধরেই চলতে থাকবে
আমি পৃথিবী থেকে চলে যাবার পর
তারপর
তারপর
এভাবে আরো পর পর্যন্ত।
এমনি চৈত্র খরায় আমার পূর্ব পুরুষ
আমার আম্মা, নানা, নানী, দাদা, দাদী
এমনি বাইরে কোথাও, কোন গাছে র ছায়ায়
বারান্দায় বসে ছিলো বাতাসের আশায়।

 

গোরস্থান

ধোয়াটে অন্ধকার
চারপাশ শুনশান নীরবতায় ডুবে আছে সব
আমি বাঁশ বনের পাশে।
মূলত আমাকে ঘিরেই রয়েছে বাঁশবন।
এখন সন্ধ্যা অথবা সন্ধ্যার পর রাত আর
রাতের অন্ধকার ধীরে ধীরে ঢেকে ফেলছে সব।
কিছু পাখি ছিলো এখানে যারা ছিলো কলরব মুখর
তারা কোথাও চলে গেছে
নীরবতায় লুকিয়ে গেছে এই ধোয়াটে অন্ধকারে।

চারদিক ঘুটঘুটে অন্ধকার
পৃথিবীর অন্ধকার আর আমাদের অন্ধকার
এখন মিলে মিশে একাকার।

 

রাত ১:১৮

আম্মা সারাটা দিন খুব ছটফট করছিলো
একবার উঠে বসে আবার শুয়ে পরে
আম্মা একা একা উঠতে পারেনা তাকে ধরে ধরে বসাতে হয়।
দুপুরের শেষ বেলায় আম্মা নাকি বলেছিলো
“ আমাকে জানালার পাশে বসাও ”
আম্মাকে জানালার পাশে বসানো হলো
জানালা ধরে আম্মা তাকিয়ে রইলো সামনের দিকে
যেই চৌকিতে আম্মা শুয়ে থাকে সেই চৌকির পাশেই জানালা।
আম্মা জানালা ধরে বসে রইলো কিছুটা সময়,
কিছুটা দূরে পিচ ডালা পথ, ছোট পুকুর,
গাছগাছালি, মানুষ, প্রকৃতি আরো যা আছে সব
তাকিয়ে তাকিয়ে দেখলো আমার আম্মা।

আমি তখন বাড়ি ছিলাম না
আমি বাড়ি ফিরি রাত দশটায়।
আমি যখন বাড়ি ফিরলাম তখন আম্মা শুয়ে আছে
তার চারপাশে অনেকেই, আমার মামা মামী আমার বোন।
আমার আগমনে আমার মামা আম্মাকে বললো,
“ এই যে লোটাস এসে পড়েছে “
আম্মা আমার দিকে তাকিয়ে বললেন
“ লোটাস আইছে, ভালা অইছে ‘
আমি আম্মার পাশে বসলাম
সমস্ত দিন আম্মা কি কি জিকির করেছেন
তা জানতে চাইলাম।
আম্মা সব আমাকে বললেন,
আবার শোনালেন তার সারা দিন জিকির করা সব।

৩ বছর হলো আম্মা ক্যান্সারে আক্রান্ত,
তখন থেকেই আম্মা সারা দিন ধর্ম কর্ম নিয়ে ব্যস্ত থাকেন
আম্মা যে অবস্থাতেই থাকুন না কেন
স্রষ্টা এবং আমাকে আম্মা ভুলে না কখনোই
কারণ আম্মার দুনিয়া হলো স্রষ্টা আর আমি।

যাইহোক,
আমাকে খাবার দেওয়ার জন্য
আম্মা আমার বোনকে তাগাদা দিতে থাকলেন
আমি পাশের রুমে গিয়ে রাতের খাবার খেলাম।
খাবার খেয়েই আসলাম শুয়ে পড়ার জন্য,
আজ আমি আর আমার বোন আম্মার সঙ্গে ঘুমবো।
মামা মামীরা একে একে সবাই আমাদের রুম থেকে বের হলো
অনেক রাত হয়ে গেছে, সবাইকে এখন ঘুমোতে হবে।
মশারি ভেতরে আমি আম্মার পাশে যখন শুতে যাবো
তখন আম্মা বললো, ‘ আমারে একটু উঠাও, আমি বমু ’
আমি আম্মাকে বসালাম, আমার বুকের ডান পাশে
আম্মা মাথা রাখলো।
এমন সময় আম্মা কেমন যেন হয়ে গেলো
আমার বোন হাউমাউ করে কাঁদতে লাগলো,
আমি আমার বোন কে দমক দিয়ে থামাতে চাইলাম
আমি জানি আম্মা একদিন মৃত্যুতে চলে যাবে
কিন্তু সেই বিদায় যেন হয় খুব সুন্দর চমৎকার।
আমি আম্মাকে সমস্ত শিরক থেকে মুক্ত করার চেষ্টা করলাম,
আম্মা হাত পা সোজা করে উপড়ের দিকে তাকিয়ে রইলো
আমাকে আশপাশের সব কিছু ভুলে, সব কিছু উপেক্ষা করে
পৃথিবীর কোন কিছুই আর আম্মার দৃষ্টি ফেরাতে পারছে না।

আমাদের ঘরে আবার সবাই চলে এসেছে উশৃঙ্খল আর্তনাদে।
সবাই খুব কান্না কাটি শুরু করলো।
আমি ‘ আম্মা, আম্মা ‘ বলে ডাকছি
তাতেও আম্মা সারা দিচ্ছে না।
আম্মা উপড়ের দিকেই তাকিয়ে আছে এক দৃষ্টিতে।
আম্মা দেখছে চির সুন্দর অথবা চির সত্যকে
অথবা অজানা কোন রহস্যের বাস্তবতায়
আম্মা অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে
যা শুধু মৃত্যুর বিনিময়েই দেখা যায়,
কিন্তু বলা যায় না, যা দেখার অর্থই মৃত্যু।

আম্মা আমাকে ভুলে গেছেন, আম্মা যেন এই পৃথিবীতে একা,
পৃথিবীতে কখনো কেও তার ছিলো না আর যেন নেই।
এই কষ্টের, প্রত্যাশিত হয়ে বার বার অশ্রু ফেলা,
স্বপ্ন ভাঙ্গার আর ভয় ক্ষুধা অপমানের পৃথিবী থেকে
আম্মা নিজের স্বাধীন জীবন চলে যাচ্ছে এবার.
আম্মা একা তার পথের দিকে তাকিয়ে আছে।

আম্মাকে আমার বুকের উপর থেকে বিছানায় শোয়ানো হলো
আমাদের সামনে আম্মা সোজা হয়ে শুয়ে আছেন
আমরা সবাই খুব জোরে জোরে কাঁদছি।
আম্মা আমাদের এই কান্নাতেও সারা দিচ্ছেন না আর
অথচ অন্য সময় হলে আম্মা আতংকিত হয়ে যেতো
কেন কাঁদছি ? কিসের জন্য কাঁদছি ?
তা জানার জন্য ব্যস্ত হয়ে যেতো
আর আমাদের সঙ্গে সঙ্গে আম্মা কান্না শুরু করে দিতো।
মধ্যরাতে আমাদের আলোজ্বলা ঘরে আমরা আর্তনাদ করে কাঁদছি
বাইরে হটাৎ এক পশলা বৃষ্টি এসে শীতল করে দিলো সব
ঠাণ্ডা বাতাস আমাদের শরীরে লেগে ক্লান্তির পর
বিষণ্ণতায় ডুবিয়ে দিলো সবাইকে।
আমাদের সবাইকে শীতল করে গেলো রাতের সেই হটাৎ আসা বৃষ্টি।

আমাদের ঘর আমাদের বাড়ি কোলাহল মুখর
কান্নায় জেগে আছে সমস্ত
অথচ চারদিকের সবাই ঘুমিয়ে আছে বিভোর হয়ে।
আম্মা তার দৃষ্টি আর সরালেন না
এভাবেই শান্ত স্থির হয়ে তাকিয়ে রইলেন উপরে
ভেতরের তাকে চির দিনের জন্য চলে যাওয়ার পথে।
এক সময় আমরা সবাই বুঝতে পারলাম
আমার আম্মা সত্যি সত্যি চির দিনের জন্য চলে গেছেন।
তখনো আমি বুঝতে পারিনি
আম্মা আমার জীবনে আর কখনো ফিরে আসবে না
আমি শত বছর বেচে থাকলেও আম্মা আর আমার কাছে থাকবেন না
আম্মা ছাড়াই পাড়ি দিতে হবে আমরা এই জীবন।

অনেকেই তখন ঘড়ি দেখছে, কয়টা বাজে বলছে
আমরা ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখলাম
সময় তখন রাত ১ বেজে ১৮ মিনিট।

 

লক-ডাউন

এভাবেই পৃথিবী থমকে আছে
ভেতর কোলাহল বিষণ্ণ সময়
অফুরন্ত অবসরে মৃত্যু মৃত্যু খেলা
কেউ যেন নেই অথচ সবাই আছে
আপন আপন অভিনয়ের মুখোশ
উন্মোচনের নিত্য নিত্য দিনে।
এ যেন প্রিয়জনকে ছুঁয়ে দেখার অভিনয়ে
বহু দূর চলে যাওয়া
এ যেন কান্না-হীন অভিযোগ হীন
এক বেদে রাখা জীবন।

আমরা জানি
কোন সময় কখনো স্থির হয় না
এক দিন আবার পিচ-ডালা পথ
কাপিয়ে ধুলো উড়িয়ে গাড়ি চলবে
বাস ট্রাক কত যান দূষিত করবে বায়ু
মানুষের ভীর ঠেলে এগিয়ে যাবে মানুষ।
আবার দিন রাত এক হয়ে ব্যস্ত হবে সবাই
এগিয়ের যাওয়ার প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যাবে পৃথিবী।
আবার প্রতিটি দিন হবে কর্ম দিবস
ক্লান্তিতে ভরে উঠবে জীবন ও বাস্তবতা।

তখন, কোন সময় কোন অবসরে
কারো কারো শুরু হবে
কিছু হারানোর দুঃখ দুঃখ দিন।

 

মানুষ যখন ভুত হয়ে যায়

আমার চার পাশে অনেক আপনজন
তারা আমার দিকে করুণ অশ্রু স্বজন তাকিয়ে আছে
কেও কেও উচ্চ স্বরে আকাশ বাতাস
উ-শৃঙ্খল করে কাঁদছে
আমি মরে গেছি, তারা মেনে নিতেই পারছে না।
আমার বিয়োগে তারা শোকাহত
মর্মাহত, বেদনায় ক্লান্ত,
আমাকে অনেক ভালোবেসে তারা,
কতো স্মৃতি কতো কথা
সবার মনের আয়নায়
ভেসে উঠছে একের পর এক।

অথচ আমার এই চির বিদায় বেলায়
কেও আমার সঙ্গী হচ্ছে না,
কেউ বলছে না, আমি ওর সঙ্গে যাবো
ও আর আমি খুব ক্লোজ ছিলাম
আমরা এক সঙ্গে থাকবো।

আমাকে একাই যেতে হবে !

একাই ঐ নির্জন অন্ধকার কবরে থাকতে হব
ক্রন্দনরত এই সব পরিচিত আর আত্মীয়
সবার কাছেই আমি হয়ে যাবো পর
এক সময় হয়ে যাবো ভয়ংকর এক ভূত।

 

আমি সত্যিই যখন একা

আমাকে আর ঘরে নেওয়া হবে না
সবাই খুব তড়িঘড়ি করছে
কবর খানায় আমাকে সমাধিস্থ করতে
আমাকে সেখানে রেখে আসতে
জড়ো হয়েছে অনেকেই।

ছোট্ট এক মাটির গর্ত, যেখানে আলো নেই,
বাসাত নেই, আছে গুট গুটে অন্ধকার,
আমি সেখান অনেক চিৎকার করলেও
কেও শুনতে পারবে না আমার সেই চিৎকার।
আমার ক্ষুধা আমার স্বপ্ন আমার ভবিষ্যতের
আর কারো কিছু যায় আসে না।
আমার জন্য শুধু আজকের এই দিনটিই
তারা উৎসর্গ করেছে।

আমি একাই অনন্তকাল সঙ্গীহীন থাকবো সেখানে।

 

প্রশ্ন

মৃত্যুর ওপারে কি হয় ?
হয় কি বুকফাটা চিৎকার!
প্রিয়জন হারানোর বিরহ!
একাকী সময় !
হয় কি, কাছে এসে চলে যাওয়ার
নিদারুণ নরক নরক জীবন।

মৃত্যুর ওপারে কি হয় ?
কাছে আসার প্রতীক্ষায়
দিন মাস শত শতাব্দীকাল
পার হয়ে যাওয়া এক দীর্ঘ জীবন,
হয় কি একাকী কষ্টের
অনন্ত রাত্রি জীবন !

 

স্বার্থপর অথবা এটাই স্বাভাবিক

শেয়াল ডাকে
মানুষ খেকো শেয়াল!

ঐ ঝোপঝাড়ে,
ঐ বাঁশ বনে,
ঐ গোরস্থানে।
যেখানে একাকী শুয়ে আছে
আমার আম্মা,
একাকী শুয়ে আছে
এই ভয় ভয় কালো রাতে,
যেখানে আজ অহরহ
শেয়ালের হইচই।

 

কবি

ধরা যাক পৃথিবী হলো পাঠক
আর কবিরা হলেন চাঁদ সূর্য তারা।

কিছু কিছু কবি আছেন চাদের মতো
এক দুই বহু চাঁদ।
এই চাঁদ কবিরা পৃথিবী আবর্তন করেন
কিছুটা রঙ ছড়ান
মুগ্ধ করেন পৃথিবীর কিছু অংশ
আবেগে উদ্বেলিত করেন
পৃথিবী পাঠককে।

আবার কিছু কিছু কবি হন
যারা ঠিক সূর্যের মতো।
যারা সহজেই পৃথিবীর কাছে আসেন না
পৃথিবীকে আবেগে ভাসান না।
দূর থেকে তাদের পুষ্টিকর আলোয়
পৃথিবী মগজ ওয়ালা পাঠক আলোকিত হয়ে
নিজেদের জীবন উপলব্ধি করতে পারেন।
চাঁদ কবিরা এই সূর্য কবিদের আলোতেই
আলোকিত হয়ে কবি হতে চান,
কখনো কখনো কবিও হয়ে যান।

এই সব চাঁদ কবি আর সূর্য কবিরা মরে গেলে
বহু বহু বছর পরেও বেচে থাকেন
এদের মাঝে কেও কেও তারা হয়ে।

তারা কবিদের আলোতে এই বহু বহু বছর পর
পৃথিবী পাঠক আবার নিজেকে বুঝতে পারেন
মানবিক ভাবে বাচতে শিখেন।

শাহীদ লোটাস। বাংলা ভাষার লেখক, বাংলাদেশ-এর নেত্রকোনা জেলায় মোহনগঞ্জ থানায় ৩০ মে ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। বাংলাদেশ ও ভারতে শাহীদ লোটাস-এর বেশ কয়েকটি উপন্যাস, কাব্যগ্রন্থ ও প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। তিনি সমসাময়িক বিষয় নিয়ে লিখতে উৎসাহবোধ করেন।

এই বিভাগের অন্যান্য লেখাসমূহ

ফেরা

ফেরা

ফেরা অনেক দিন আসিনি তোমার চোখের কোণে, বুকের পাশে, নিঃশ্বাসের চারপাশে। ভেবো না আমি পথ…..