কাজুলি

অনিরুদ্ধ চক্রবর্তী
গল্প
Bengali
কাজুলি

এক কাক ভোরে চললাম ধান মাঠে। সঙ্গে শবর। শরত বিদায় নিয়েছে প্রায়। হিম পড়া মানেই হেমন্তের আগমন বার্তা ঘোষণা হয়ে গেছে। মাঠে মাঠে আধপাকা ধান আর অজস্র টিয়ের উপস্থিতি। ভোরের পথে হাঁটতে বেড়িয়েছি তা যেন হেমন্তের সঙ্গে বোঝাপড়া করার জন্য।

শবর বহুদিন দেশছাড়া ছিল। ক্লাস সেভেনে ফেল করে ও গ্রামেরই একজনের হাত ধরে জুয়েলারির কাজে দিল্লি চলে যায়। এখানে পাকাপাকি ভাবে চলে এল বিয়ের পর।

মেয়েটার নাম কাজুলি। ডিস্ট্যান্সে এম এ পাশ। মেয়ের বাবা খুব গরিব। একমাত্র আয় একটি সাইকেল সারানোর দোকান। শবর বলেছিল, সে মাধ্যমিক পাশ। বিয়ের আগে শবর তাকে এক ভরি ওজনের একটি সোনার চেন দিয়েছিল।

এখন কাজু ডির্ভোস চায়। কিন্তু শবর নাছোড়। তার সোজা হিসেব। সে যে টাকা কাজু ও তার পরিবারের জন্য ইনভেস্ট করেছে তার সবটা ফেরত চায়। শ্বশুরের জন্য পাকা দোকান কিনে দেওয়া ছাড়াও কাজুলির পেটে পাথর হয়েছিল সেই অপারেশনের জন্য তিরিশ হাজার খরচ হয়েছে। মোট তিনলাখ টাকা সে দাবি করছে সব মিলিয়ে। সে জানে ওরা সেই টাকা ফেরত দিতে পারবে না। না পারলে সেও কাজুকে ছাড়বে না। এই অবস্থায় আমার মঞ্চে অবতরণ।

মাঠের ভেতর হাটতে হাঁটতে শবর বলে, নীলু, তুই কাজুকে বিয়ে কর।

আমি অবাক হয়ে বলি, কোন কাজু?

কে আবার, আমার বউ। তোর সঙ্গে ওকে মানায় ভালো। তুই অনেক পড়েছিস, কাজুও তাই। তোকে দেখতে সুন্দর। কাজুও সুন্দরী। তুলনায় আমাকে দেখ, মোটা বেঁটে কালো আবার সঙ্গে ভূঁড়ি। ফিটফাট থাকি না। সপ্তায় এক দিন দাড়ি কাটি। বাড়িতে খালি গায়ে লুঙ্গি পরে থাকি। খকখক করে মুখ ধুই, খেতে গেলে শব্দ হয়। কাজুর এ সব পছন্দ নয়। ও প্রায়ই আমাকে বলে, তোমার বন্ধু অত শিক্ষিত, মার্জিত তুমি নও কেন? আরে, সোজা ব্যাপার সবাইয়ের দ্বারা যদি সব হোত, তাহলে আর ভাবনা থাকত না। ও তোকে খুব পছন্দ করে। তুই এলে তোর পাশ থেকে নড়তেই চায় না। তুই চাকরি করিস, রোজ অফিস যাস, ফিরে আসিস, এমন পছন্দ ওর। ঘরে বসে একটা টেবিল পেতে সোনার জলে ফুঁ দেওয়া বর ওর কোন দরকার নেই।

একথা ঠিক আমি কাজুকে ভালোবাসি। যে ওর সঙ্গে আর থাকতে চায় না, সেটা আমার চেয়ে আর কে ভাল বোঝে। শবর যাতে টেটেমি না করে ওকে ভালভাবে ছেড়ে দেয়, সেই কথা বলব বলেই আজ আমি খুব ভোরে ওর সঙ্গে মাঠে এসেছি।

কিন্তু ভাবার কথা যেটা, শবর কথাটা আচমকা বলল কেন? আমার দেহে কি তবে কাজুর গন্ধ এখনও লেগে আছে? ও কি তবে বুঝে গেছে আমি এখন প্রায় দিন ওর ঘরে হানা দিই, শেষ রাতে ফিরে আসি? আজও আমি কাজুর ঘরে ছিলাম। সে বার বার মিনতি করেছে, গাঁইয়াটার সঙ্গে আর থাকতে পারছি না, তুমি যা হোক একটা ব্যবস্থা কর।

আমি ওকে অভয় দিয়ে বলি, সে তুমি আমার হাতে ছেড়ে দাও। বলে ওকে আদর করতে যাই। কাজু আমাকে সরিয়ে দিয়ে বলে, আগে তিন সত্যি কর, তুমি আজই ওকে সব বলে একটা হেস্তনেস্ত করবে, তবেই আজ তোমাকে দেব, নইলে নয়।

কথা দিতে কতক্ষণ? দিয়ে দিই। আসলে তখন আমার আর তর সইছিল না। ঘুমাবার জন্য তো আর আসিনি। তাই কথা দিয়েই আমি কাজুর শরীরের স্বাদ নিতে হামলে পড়ি। তার মাখম রঙের অপূর্ব গড়নের দুটি স্তন, গভীর নাভির টান এড়িয়ে কতক্ষণ আর বকবক করা যায়! কাজুও আর বাধা দেয় না, সাগ্রহে আমাকে টেনে নেয়। ওর বাহুমূলের গন্ধের মাদকতায় আমি নিজেকে সেখানে সঁপে দিই।

সেই গন্ধ যে লেগে থাকে আমার চোখে মুখে গায়ে, দিনের মাঝামাঝি সময়ও বেশ বুঝতে পারি। এক নারীর শরীর রমণীয়তা এতটা যে একজন পুরুষকে সারাদিন মৌতাতে রাখে। কাজু যেন কস্তুরি মৃগ। আর আমি তার পিছনে ছুটে চলা এক হরিণ!

শবরের বিয়ের দিন। তখন কাক ভোর। সকলেই বাসর জেগেছি। আমরা তিন বন্ধু আর মেয়ের বাড়ির দুটি মেয়ে ও পাড়ার বৌদি। শেষ দিকে আমরা সকলেই অল্প বিস্তর ঘুমিয়ে পরেছিলাম। সেই সময় ভোরে দেখি কার সঙ্গে আমার গা ছুঁয়ে যাচ্ছে। সেই প্রথম তার স্পর্শ পেলাম। দেখি কখন সে আমার দিকে গড়িয়ে এসেছে। শবর ও অন্যরা বাইরে চলে গেছে কখন। আমার হাতে স্তন ছুঁইয়ে সে ঘুমিয়ে পড়ল তা কে জানে। আচমকাই চোখ মেলল সে। আমায় দেখল অপলক। আমিও তেমনি। কতক্ষণ তার হিসেব কারও কাছে নেই। নির্মিমেষ নয়নে আমরা একে অপরের দিকে তাকিয়ে বুঝলাম, যা হবার আমাদের এই প্রথম দেখাতেই হয়ে গেল।

হাঁটতে হাঁটতে শবর বলে, ধান উঠলেও এমনি ঘুরব।এই ত কার্তিক পরল। এই মাসেরই শেষ দিকে ধান উঠবে। তখন মাঠ ফাঁকা হয়ে যাবে। সেই ফাঁকা মাঠে রাতভর দিয়ে আমরা হাঁটব। তখন দেখবি শিশিরে কেমন মাঠ ভিজে আছে।

আশ্চর্য! এমনি কথা কাজুলি বলে। সে বলে, যখন আমরা নিজেদের সম্পূর্ণ করে পাব, তখন রাতের কুয়াশা মাখব মাঠের ধারে বসে। ভোরের শিশিরে তুমি আমার স্তন ধুয়ে দিও।

তুমি ওকে পছন্দ করলে কী করে? আমার রাগ হয়ে যায়।

উপায় ছিল না। বলে সে দীর্ঘশ্বাস ফেলে। আমাদের বাড়ির পাশেই ওর মাসির বাড়ি। ওখানে ওর যাতায়াত ছিল। সেই সময় একদিন আমাকে দেখে। ওর পছন্দ হয়ে যায়। মাসির মাধ্যমে আমার বাবাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। বাবা তো হাতে চাঁদ পেল। ছেলে লেখাপড়া জানে না তো কি, গয়নার কারবার, অঢেল পয়সা! বিয়ে হয়ে গেল।

আমাকেই বা এক দেখাতেই অমন করে ভালবাসলে কেন?

এবার সে হেসে বলে, না বেসে উপায় ছিল না। একটু থেমে আবার বলে, তুমিই বা বাসলে কেন?

আমি ওর গাল ছুঁয়ে বলি, এই জন্য।

শুধু এই?

ওর ঠোঁট ছুঁয়ে বলি, এর জন্য।

এই মাত্র?

তখন দু’হাত দু’দিকে ছড়িয়ে বলি, তোমাকে ভালোবেসেছি তোমার জন্য।

কাজু আমাকে সাপটে ধরে। অজস্র চুম্বন করতে থাকে। তাতে আমি স্নাত হই। আপ্লুত হই। সে বলে, তোমার ভালোবাসায়, তোমার আদরে, তোমার সঙ্গে যৌনরাত যাপন করে আমার নবজন্ম হল।

মাথার উপর পাখি উড়ছে। ধানগাছের গোড়ায় এখনো প্রচুর জল জমে আছে এ বছর প্রবল বৃষ্টি পাতের কারণে। শবর বলে, এ বছর এত জল হয়েছে যে জল যেমন কিনতে হয়নি চাষিদের, তেমনি ওষুদ মারতেও হয়নি। জলে পোকাদের নষ্ট করে দিয়েছে। তাই এত মাছ হয়েছে এবার ধানখেতে। আর কেবল মাছই বা কেন, গেঁড়ি-গুগুলি কি কম খেয়েছে মানুষ! এখনও যা আছে পাখিতে বকে শেয়ালে খেয়ে শেষ করতে পারছে না।

সামনেই আধপাকা ধানশীষ। সেই শীষ মুঠোয় নিই। মুখের কাছে তুলে ধরে গন্ধ নিই প্রাণপণে। এমন গন্ধের নারী একজনই আছে, সে কাজলি। তা মনে হতেই চুপচাপ বলি,  আমি কাজুকে ভালোবাসি শবর। সেও বাসে। এখন তুই যত তাড়াতাড়ি ওকে ডির্ভোস দিবি, তত আমাদের সুবিধে।

বিয়ের একবছর না হলে ছাড়াছাড়ি করা যায় না। সে খুব শান্ত গলায় বলে।

মরিয়া হয়ে বলি, সেটা আইনের ভাষায়। আমি বলছি তুই ওকে এখনই ছেড়ে দে। জানিস ও তোকে পছন্দ করে না।

বেশ। তবে আমার একটি শর্ত আছে। সেটা যদি তুই নিতে পারিস, তবেই কাজুলিকে ছাড়া সম্ভব।

কি শর্ত?

তোকে আমি একটা চড় মারব। ভেবে নে।

শবর এমন উদ্ভট একটা প্রস্তাব দেবে আমি স্বপ্নেও ভাবিনি! চুপ করে যাই। চারিদিক তাকিয়ে দেখি মাঠে জনপ্রাণী নেই। এখানে যদি ওকে চড় মারতে দিই, কে আর দেখবে। তাছাড়া কাজুকে একেবারে পেতে গেলে একটু যদি ছাড়তে না পারি তাহলে ভালোবাসাটা আর থাকল কোথায়! অবশেষে বলি, মার।

সে আর দ্বিরুক্তি করে না। মনে হয় ও জানত, আমি রাজি হব। মনে হয় ও জানত, আমি কেন ওকে আলাদা করে এত সকালে ডেকে এনেছি। ও বুঝে গেছে আমি কাজুকে রতিসুখ দিই। তাই দিনদিন গড়ে ওঠে ওর শরীর, কোমরের ভাঁজ বদলায়, পেলব হয় ত্বক, সুগোল হয় স্তন, পোশাকের বাইরে প্রকট হয় বৃন্ত। পূর্ণ হয় যোনি, দৃষ্টি হয়ে ওঠে মেদুর,  তার শরীরের গন্ধ বদলে যেতে থাকে, সে হয়ে ওঠে কামনাময়ী, যৌবনবতী। চাঁদ ঝুঁকে পড়ে তাকে দেখে।

শবর সপাটে এক চড় মারে আমায়। ওর গায়ে যে এত শক্তি আমার কোন ধারণাই ছিল না। সেই এক চড়ে আমি আছড়ে পড়লাম। শবর বড় করে এক বুক তৃপ্তির শ্বাস নিল। মুখে এক হাসি! এমনি করে কত যে মাঠ ঘাট ঘুরেছি আমরা, তার কোন মাপজোখ নেই। এমন অলস সময় যে আগে কত কাটিয়েছিল। আজ আমার ধারণ ছিল, দিনটি অন্য রকম হবে। হলও। ভাবিনি এমন ঘুরে বেড়ানোর দিনে শম্ভুর হাতের এক থাপ্পড় খেয়ে মাটিতে মুখ থুবড়ে পড়ব।

মাটির উপর পড়ে যেতেই দৃষ্টি কোনাকুনি গিয়ে পড়ে মাঠের ধারের বাড়িতে। বাড়িটি একতলা। দুটি ঘর। আমার সঙ্গে বাসরঘরে সেই যে কাজুর বন্ডিং তৈরি হয়ে গেল, ফুলশয্যার পর থেকেই সে আলাদা ঘরে শুতে শুরু করে। একটায় শবর শোয়, অন্যটায় কাজু। ওর সঙ্গে আমার প্রথম মিলন ঘটে দ্বিরাগমনের পর। আমার বুকে মুখ রেখে কাজু বলেছিল, আমি এখনও অনাঘ্রাতা পুষ্পই আছি। ফুলশয্যের দিন ওকে আমি ছুঁতে দিইনি। তুমিই প্রথম পুরুষ, যে আজ আমার শরীরে আগুনপাখি আনবে।

আমি বলি, ও জোর করেনি?

শুরু করেছিল। কিন্তু যখনই বললাম, আমি আর একজনকে ভালবাসি, তখন পিছিয়ে গেছিল।

কার নাম বললে?

কেন, তোমার। ভুল কিছু বলেছি?

যা!

না গো আমার আদুরে প্রেমিক; বলেছি, আকাশের নীলের সঙ্গে আমার প্রেম।

তখন আমি ওর পায়ের পাতায় ঠোঁট রেখে বলি, আমার সবকিছু আজ তোমার এখানে জমা করে দিলাম।

মনে আছে, সেদিন কাজু খিলখিল করে হেসে উঠেছিল। আমার মুখ চেপে ধরেছিল ওর মুখের মধ্যে। প্রথম চুম্বনে অসার হয়ে গিয়েছিল আমার শরীর। তার কোমরের খাঁজে মুখ ডুবিয়ে খুঁজে নিয়েছিলাম প্রথম সোনালি রোম।

বাড়িটা শবরের। তার বাড়ির পিছনে কলাগাছ। সামনে ধানের গাদা। গাদার পাশে দোপাটি ফুল ফুটে থাকে। শবর এ সব ভালবাসে না। কাজু বাসে। আমি কাজুকে এনে দিয়েছিলাম। ও খুব যত্ন করত তাদের। খুব বড় বড় গোলাপি ফুল হয়েছিল। গাছ ঝেঁপে এসেছিল। একদিন নক্ষত্রের আলোকে সেই ফুলের পাপড়ি নিয়ে আমি সাজিয়ে দিয়েছিলাম তার দুরন্ত যোনি। কম্পিত নাভিকুন্ড ভরে দিয়েছিলাম দোপাটি ফুলের পাকা বীজে। অতল, অন্ধকার, রহস্যময় মনোলোভা নাভি তখন ঝলমল করে উঠেছিল মেরুন রঙের আলোয়। তার কোমরের খাঁজে গেঁথে দিয়েছিলাম ফুলের পাতায়। স্তনের উপর ফুল সাজাই। তাতে স্তনের রঙ যেন আরও ফেটে পড়ে, ধারালো হয়ে ওঠে, সারা ঘর আলোকিত হয় জোড়া স্তনের সেই আলোকে। ফুলকে উপুড় করে স্থাপন করি সেখানে, এমনভাবে, যেভাবে একটিমাত্র সম্পূর্ণ ফুলেই ঢেকে যায় স্ফিত কম্পনরত স্তনবৃন্ত। সে কেঁপে ওঠে। বিছানা খামচে ধরে। তখন, আমার অতি প্রিয় কাজুর গোলাপি অধর, যা আমি একটু একটু করে অতি যত্নে, কোনরকম লোভ না রেখে  সাজিয়ে দিলাম এইমাত্র, তা জ্বলজ্বল করে উঠেছিল দোপাটির পরাগরেণুতে।

তখন হাঁ করে শ্বাস নিচ্ছে কাজু। বিড়বিড় করে বারবার বলছে, এই তো চাই, এই তো। এমন জীবনই তো চেয়েছি সেই কবে থেকে। আরও নিবিড় করে সাজিয়ে তোলো আমায়। দেহ করে তোল ফুলের। সেই ফুল সুবাস ছড়াক তোমার নেশায়। আমার উপর তুমি মেঘ হয়ে এস, বৃষ্টি হয়ে ঝরে পড়।

বাখারির বেড়া দেওয়া বাড়ি। তা সরিয়ে মধ্যরাতে চুপিসাড়ে আমার যাতায়াতের কোন সমস্যা হয় না। কোন টেনশনও হয় না। কারণ শরবের বাড়িতে ওর বিয়ের আগে থেকেই আমি মাঝে মধ্যেই এসে থাকতাম। সে আর কিছুই নয়, নেহাত শবরের সঙ্গে গল্প করার মোহে।

সেই বাড়ির ছাদে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে আছে এক নারী। লাল শাড়ি। কোমরে হাত। দৃষ্টির তীব্রতা এখান থেকেও অনুভব করা যায়। কাজু যে ছাদে দাঁড়িয়ে আমাদের নিরীক্ষণ করে চলেছে, তা কে জানত!

চোখ নামিয়ে নিলাম। বুঝে গেলাম, ওই নারীকে আর এ জন্মে পাওয়া হল না।

অনিরুদ্ধ চক্রবর্তী। গল্পকার। লেখকের দেশ-ভারতবর্ষ। জন্ম ১৯৭৬ সালে, ভারতবর্ষের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের হুগলি জেলার ছোটচৌঘরা গ্রামে। পড়াশুনো- বাংলা সাহিত্যে এম এ। জীবিকা- চাকুরি। প্রকাশিত বই- একটি। 'মশাট ইস্টিশনের মার্টিন রেল' (১৫টি গল্পের একটি সংকলন)।  প্রকাশিত গল্পের সংখ্যা দুইশত। পশ্চিমবঙ্গের নানা পত্র পত্রিকায়...

এই বিভাগের অন্যান্য লেখাসমূহ

উত্তরাধিকার

উত্তরাধিকার

কাঁটায় কাঁটায় বিকেল চারটা পঞ্চান্নতে ডাইনিং রুমের উত্তরের দেয়ালে কাঠের ফ্রেমে বাঁধাই করা ফুলদানিতে বর্ণিল…..