কাজের মেয়ে

শ্বেতা সরকার
গল্প
Bengali
কাজের মেয়ে

 

ধোয়া বাসনগুলো তুলে রেখে রান্নাঘরটা মুছে ফেললো টেঁপি। বড় আর মেজো জা মিলে বাসনগুলো ধুয়ে দিয়ে গেছে। সেজোটার ছোট বাচ্চা বছর দুয়েকের। সেজো তাই খাওয়া হলে আর বসেনা, বাচ্চাকে ঘুম পাড়াতে চলে যায়। বড় আর মেজো হাতে হাতে যতটা পারে কাজ এগিয়ে দেয়। মে মাসের গা জ্বালা করা গরমে এতবড় রান্নাঘরটা মুছে টেঁপি ঘেমে স্নান হয়ে গেলো। জলের বালতি থেকে হাতে মুখে ঘাড়ে ভালো করে জলের ঝাপটা দিলো। জলটাও গরম হয়ে গেছে। বাপের বাড়ির পাশের বড় পুকুরটার কথা মনে পড়ে গেল টেঁপির। কি ঠান্ডা জল! নেয়ে ধুয়ে কি শান্তি কি শান্তি! ঘরে ঢুকে দরজার শিকল তুলে দিলো টেঁপি। আলো নিভিয়ে ভালো করে গামছা দিয়ে গা মুছে শাড়ি ব্লাউজ খুলে ফ্যানের তলায় বসলো। এই গরমে সারাদিন মাথায় ঘোমটা দিয়ে রাখতে হয়। সব খুলে টেঁপি হাঁফ ছেড়ে বাঁচলো। উত্তরপ্রদেশের বেরিলি অঞ্চলে এই মে মাসের আগুনে ফ্যানের হাওয়াও গায়ে লাগেনা।বেরিলি … টেঁপি জায়গাটার শুধু এই পরিচয়টাই জানে। এখানে আসার পথে হিন্দি আর ইংরেজিতে লেখা স্টেশন আর জায়গা গুলোর কোন নামই সে পড়তে পারেনি। দুমাস হলো টেঁপি এই বাড়ির ছোট বৌ হয়ে এসেছে।পাড়ার দুটো মেয়ের বিয়ে এখানে হয়েছে। এরা লোক ভালো, পরিষ্কার পাকা ঘর দুয়ার, খাওয়া পরার অভাব নাই। গরীব ঘরের মেয়ের আর কি চাই শ্বশুরঘরে।ধপাস করে মেঝেতেই শুয়ে পড়লো টেঁপি। উফ্ , ছিটকে ওঠে সে। মেঝেটাও আগুন। অগত্যা খাটিয়ায় এসে শুলো।

শুয়ে শুয়ে টেঁপি ভাবতে থাকে, আট নয় বাড়ি কাজ করতো সে। বৌদির বাড়ি তো সব কাজই করতো। রান্নাঘর বাথরুম পরিষ্কার করার দিন দুপুরে ওখানেই স্নান করে ভাত খেয়ে নিত। বৌদি ভালোমন্দ তরকারী মাছ মাংস মাঝেমাঝেই দিতো। অন্য বাড়ির লোকেরাও টেঁপির প্রশংসায় পঞ্চমুখ। দুটো বাড়তি খাওয়া দাওয়া সব বাড়ি থেকেই জুটতো। টেঁপি খাটতে পারতো। ব্যবহারটিও ভারি ভালো। বাবুদের বাড়ির মন খুশি রাখতে জানতো সে। তার কাজের অভাব হতোনা কখনো। একবার যে বাড়িতে টেঁপি কাজে ঢুকতো তারা কোনভাবেই টেঁপিকে হাতছাড়া করতে চাইতোনা। মাস গেলে চারপাঁচ হাজার টাকা রোজগার করতো টেঁপি। এছাড়াও এবাড়ি ওবাড়ি বালতি ধরে বাড়তি কাচাকাচির বাড়তি পয়সা তো ছিলোই।টেঁপি শুধু রোজগেরে মেয়ে ছিলো তাই নয় সঞ্চয়ের ব্যাপারেও যথেষ্ট গোছানো ছিলো। ব্যাঙ্ক পোস্টঅফিসে নিয়মিত যাতায়াত ছিলো তার। বাবা বুড়ো হয়েছে। মজুর খাটতে পারেনা আর। দিদি ঘরেই থাকে। মায়েরও বয়স হয়েছে, বেশী কাজ করতে পারেনা। ভাই নিজের রোজগার নিজেই উড়িয়ে বেড়ায়, একপয়সাও ঘরে দেয়না। টেঁপি কাজে কর্মে ওস্তাদ। টেঁপির রোজগারেই সংসারের অর্ধেক চলে যায়। বাবা মা অসুস্থ হলে হাসপাতাল নার্সিংহোমের খরচও টেঁপির টাকাতেই হয়। শিবেন জ্যাঠা বাবাকে বলতো,
” টেঁপি তোমার অফ্সার বেটি আছে বটে।”

অন্ধকারে শুয়ে শুয়ে টেঁপি পুরোনো কথা ভাবতে থাকে। নিজের যত্নও নিতো সে। বৌদিকে দেখে চালগুঁড়ো হলুদবাটা অলিভ অয়েল গন্ধ সাবান এসব মাখতো সে। এসব কিনে এনে নিজের ট্রাঙ্কে ঢুকিয়ে তালা দিয়ে রাখতো। পুজোর সময় ফেসিয়ালও করতো। বাবুদের বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে নিজে পছন্দ করে জামা কিনতো। অন্ধকার হাতড়ে টর্চ বের করে টেঁপি। এখানে আসার সময় ব্যাঙ্কের আর পোস্টঅফিসের বই আর যা যা দরকারী কাগজ পত্র সব গুছিয়ে এনেছে টেঁপি। শ্বশুড়ঘরের কেউ জানেনা সেসব। জানলার পাল্লা ভালো করে বন্ধ করে টর্চ জ্বেলে ট্রাঙ্ক খোলে সে। ওপরের কাপড় সরিয়ে নিচে রাখা কাপড়ের ভাঁজ থেকে বের করে সব। পাতা উল্টে দেখে ভালো করে। টাকার সংখ্যা ভালোই পড়তে পারে সে। ষোল হাজার চারশো টাকা জমেছে ব্যাঙ্কে। পোস্ট অফিসে একটা পাঁচহাজার টাকার সার্টিফিকেট করেছে।কেউ জানেনা সেসব। শুধু বৌদি জানে।আবার সব গুছিয়ে জানালা খুলে দেয় টেঁপি।ষোলো হাজার চারশো, তাদের মত ঘরে নেহাত কম টাকা নয়। এসব ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে পড়ে টেঁপি।

দিন যায়। শ্বশুড়বাড়ির সবাই তাকে বাঙ্গালী বহু বলে খুব ভালোবাসে। টেঁপির বর লরি নিয়ে বাইরে যায়। সেই বিয়ে করে তাকে পৌঁছে দিয়ে এক সপ্তাহের মাথায় বাইরে চলে গেছে। এতদিনেও ফিরে আসেনি।তিন ভাসুর জা তাদের চার ছেলে মেয়ে আর শ্বশুর শাশুড়ী নিয়ে টেঁপির শ্বশুরঘর। গরুর দুধের ব্যবসা। বিশাল খাটাল। টেঁপি গোরুর কাজ কিছু জানেনা। তাই রান্নাঘর আর সারাদিন বাচ্চাগুলোর দেখাশোনার ভার তার ওপর থাকে। সকালে ঘর দুয়ার ধোয়া মোছা করে বাচ্চাগুলোকে গুছিয়ে দিয়ে জায়েরা খাটালে চলে যায়। তারপর সব টেঁপির ঘাড়ে। শ্বশুরঘরে কাজ করে খেতে হবে সে সব জানে টেঁপি। আর এতদূরে এসে যে ব্যবহারটাই তার সম্বল তাও জানে। সে ভাঙা ভাঙা হিন্দি আর বাংলা মিশিয়ে কাজ চালায়। খাটতে তার আপত্তি নেই।যদি খাটনির ফল মেলে।রোজ ব্যবসার লোকজন সমেত তেরো চোদ্দ জনের রান্না হয়। অবশ্য রুটি সব্জীতেই এরা অভ্যস্ত।ভাত হলেও পরিমানে কম হয়। বাংলার মেয়ে টেঁপির দুটি পান্তার জন্য প্রানটা আইঢাই করে।তারপর চারটে বাচ্চা।বাচ্চা তো দুষ্টুমি করবেই। সেসব চোখে চোখে রাখতে হয়।রাত নামলে অন্ধকারে একা টেঁপির মাথায় ভাবনার পাহাড় জমে। দিন দিন কাজের লোকের দাম বাড়ছে। তারপর বাচ্চা দেখাশোনার কাজ করলে তো প্রতিদিন কমকরেও দু-আড়াইশো টাকা। এরা লোক ভালো হলেও টেঁপি যেন একটু একটু করে নিজের পরিস্থতিটা টের পায়।বরছাড়া সংসারে সে যেন ছোটবৌয়ের সিঁদুর লাগিয়ে বিনে পয়সায় রাঁধুনী আর আয়াগিরি করছে।এখানে অসহ্য গরম, ভাত খেতে পারেনা, বরও থাকেনা, সারাদিন সে যা কাজ করে সেই কাজ বাড়ি বাড়ি করলে তার টাকা আর ভাত কোনটারই অভাব হবেনা। ধীরে ধীরে টেঁপি মনস্থির করে ,বর ছাড়া জা ভাসুরের সংসারে খেইটে মরা শ্বশুরঘর ওই ফুলি আর চাঁপির জইন্য ঠিক আছে বটে। অফ্সার বেটি টেঁপির জইন্য লয়। কিন্তু এখান থেকে বেরোবে কিভাবে। বিয়ের তিনমাসের মধ্যেই বাপের ঘর যাবে বললে তো কেউ ছাড়বেনা। গরীব ঘরের মেয়ে বাপের ঘর ফিরে আসবে জানতে পারলে বাপ মা ও মুখ ঘোরাবে। অনেক ভেবে টেঁপির মাথায় বুদ্ধি এলো। টেঁপি মনের কথা মনে চেপে রেখে বর আসার অপেক্ষায় দিন গুনতে শুরু করলো।

অবশেষে সাড়ে তিনমাসের মাথায় টেঁপির কপাল খুললো। মনে মনে টেঁপি নিজেকে শক্ত করে ফেলেছে ততদিনে। তার মনটা ভারি নরম। মানুষগুলো তো তার সাথে কোন খারাপ ব্যবহার করেনি। আর বাচ্চাগুলোর ওপরও মায়া পড়ে গেছে। মন শক্ত করে এইসব মায়া কাটাতে হবে তাকে।টেঁপি আরও কিছুর জন্যও তৈরি হয়েছিলো। বৌদির কাছ থেকে জেনে পুরো এক বছরের বাচ্চা না হওয়ার ওষুধ সে সাথে করে নিয়ে এসেছিলো। কেউ জানে না সে প্রতিদিন নিয়ম করে ওষুধ খেত। সেদিনও সব কাজ সেরে ওষুধ খেয়ে মনে মনে তৈরি হয়ে এলো। সে আর জড়াতে না চাইলেও তার বর যে শরীরের সুখটুকু মেটাবে তা জানতো সে। সেসব মেটার পর ভোরের দিকে ব্যাঙ্কের বই দেখিয়ে বরকে বললো,

“ইয়ে দেখো ব্যাঙ্কমে রূপেয়া হ্যায়, মেরেকো লে চলো, রূপেয়া লেকর আনা হ্যায়।”

বৌ বাপের ঘর থেকে এতগুলো টাকা আনবে তাতে আপত্তি হওয়ার কথা নয়। কিন্তু টেঁপির বর জানায় সে পরশুই চলে যাবে। পরেরবার সে অবশ্যই সময় নিয়ে আসবে। কিন্তু টেঁপি ছাড়ার পাত্রী নয়। একমাথা ঘোমটা টেনে সে বলে,

” তব বড়া দাদাকো বোলো, ম্যায় ভাইয়াকো বোলতা হুঁ, ভাইয়া মেরেকো লে যায়েগা।”

টাকা আনার ব্যাপারে ভাসুরের অনুমতি মিললো। ঠিক হলো ভাই এসে তাকে নিয়ে যাবে।তারপর বর তাকে নিয়ে আসবে। মনের উত্তেজনা মনে চেপে টেঁপি বাড়িতে ফোন করে ভাইকে আসতে বললো। আরও বললো টাকা তুলে সে ভাইকে যাতায়াতের খরচ দিয়ে দেবে। ভাই আসার অপেক্ষায় আরও মাস দেড়েক গেলো। অবশেষে ভাই এলো। টেঁপি নিখুঁত অভিনয়ের জন্য তৈরিই ছিলো। কিন্তু চোখের জল বাঁধ মানেনা। বাচ্চাগুলোর প্রতি মায়া হয়। বাড়ির লোকগুলোও খারাপ নয়। চোখ মুছতে মুছতে সবাইকে শেষবারের মত দেখে সে বিদায় নিলো।

বাড়ি ফিরেও স্বাভাবিক থাকে টেঁপি। সে জানে আগে ইনকাম করতে হবে তবেই বাড়ির লোকের মুখবন্ধ হবে। নইলে বাপের ঘরের ভাতে ভাগ বসাতে এসেছে বলে তাকে কেউ টিঁকতে দেবেনা। পরদিন সকালে উঠেই টেঁপি বেড়িয়ে যায়। বাড়িতে বলে ,

” বৌদির ঘরকে দেখা করে আসি।”

” তোকে তখনই বলেছিলাম যাসনা, শুনলিনা আমার কথা, তোর ভাগ্য ভালো যে তোর ওপর কোন অত্যাচার হয়নি।”

মেঝেতে পা ছড়িয়ে বসে বৌদির বকুনি শুনছিলো টেঁপি। বৌদি বলেছিলো বটে লরিওলাকে বিয়ে না করতে। তার তখন বিয়ের শখ জেগেছিলো। কপালের দোষ আরকি। সে না নইড়লে তার বাপের ক্ষ্যামতা হতোনি বিয়ে দেওয়ার। বৌদি বকেই যাচ্ছে,

” এখন কি করবি? সবাই তো অন্য কাজের লোক নিয়ে নিয়েছে, আমি না হয় আমারটাকে ভাগিয়ে দেবো, কিন্তু আমার হাজার টাকায় কি তোর চলবে?”

” দেখি সবার ঘরকে যাই, বাড়িতে কিছু বলিনিকো, কাজ ধরে তারপর…”

তবে টেঁপির কাজ পেতে অসুবিধা হলোনা। তার কাজের সুনাম ছিলো। পাড়ার অন্য মেয়েরা গজগজ শুরু করলো,

” ও মাগী শ্বশুরঘর ছেড়ে সবার কাজ খেতে এসেছে।”

তাতে টেঁপির কচুপোড়া। সে ছয় সাত বাড়ি কাজ করে। বাড়তি রোজগারও করে। নিজের ঘরটা দখল করে ভাই ভাইবৌকে দাবড়ে চলে। ভাসুর আর বর নিতে এসেছিলো তাকে। টেঁপি শুধু যাবেনা বলেনি, তার সাথে আরও কথা জুড়েছে। সে পরিষ্কার জানিয়েছে, তার বর তো এমনিতেও তিন চার মাস পরে ঘরে যায়, তাহলে তিন চার মাস পর এখানেই আসুক, তার কোন খরচ লাগবেনা উল্টে সেই বরকে যাতায়াতের খরচাপাতি দিয়ে দেবে। টেঁপির দেমাক দেখে পাড়ার লোক মুখ বেঁকিয়েছে। ভাসুর জানিয়ে গেছে,

” মেরে ভাইয়াকি ফিরসে শাদী করাউঙ্গা।”

সেসবে টেঁপির কিছুই যায় আসেনা। সে খেটে খায়। অবশ্য ছোট লোকদের পাড়াতে এসব কথা বেশীদিন গুজগুজ ফুসফুস হয়না। তারা সবাই উদয়াস্ত পরিশ্রম করে নুন পান্তা জোগাড় করে। অন্যের জীবন নিয়ে মুখরোচক আড্ডার সময় তাদের থাকেনা। দিন যায়। বৌদির বর বাইরে বদলি হয়ে যায়। বৌদিও ঘরে তালা দিয়ে নতুন জায়গায় চলে যায়। টেঁপি এক পাঞ্জাবি বুড়ো বুড়ির ঘরে কাজ ধরে। বৌদির ঘরের মতোই সব কাজ করে সেখানে। বুড়ি হোম ডেলিভারি করে। জামা সেলাই করে। তারফলে টেঁপির খাওয়ার বহর আর জামা কাপড়ের বাহার বাড়ে। উতিউতি প্রেমও করে। অফ্সার বেটি অফ্সারের মতোই থাকে।

প্রায় বছর সাতেক পর দুর্গাপুজোর সময় বৌদি এই বাড়িতে এসেছে। প্যান্ডেলে পাড়ার চেনা পরিচিতদের সাথে আড্ডা চলছে। খুব মজা হচ্ছে এতদিন পর পুজোয় বাড়ি এসে। হঠাৎ পাশ থেকে কে একটা ঢিপ করে প্রণাম করে।

“ও বৌদি গো, কদ্দিন পর দেখা গো, কেমন আছো বলো।”

“আরে টেঁপি তুই? কোথায় বিয়ে হলো তোর? ওমা এটা তোর ছেলে?”

” হেই জকপুরে বিয়ে হয়েছে গো, আমার ছেলে গো।”

” বাহ্ ভালো তো, বর কি করে রে।”

” হে হে জমি আছে গো, বাইরে লেবার খাটে গো।”

” কি ভালো লাগছেরে , এতোদিন পর তোকে দেখে, তুই এখন ভালো আছিস তো?”

” হ গো বৌদি , আমার লিজের ঘর সোংসার, আমি খুব ভালো আছি গো।”

টেঁপি আবার ঢিপ করে একটা প্রণাম ঠোকে। বৌদি বাচ্চাটার হাতে টাকা গুঁজে দিয়ে কিছু কিনে দিতে বলে। ঠাকুর প্রণাম করে ছেলেকে কোলে নিয়ে হেঁটে হেঁটে রাস্তা পার হয়ে যায় কাজের মেয়ে টেঁপি।

শ্বেতা সরকার। জন্ম ১৯৭৮ সালের ফেব্রুয়ারি। স্থান, বাবার কর্মস্থল টিকিয়াপাড়া রেল কোয়াটার, হাওড়া,বাংলা, ভারত। পাড়ার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ শেষ করে হাওড়া নরসিংহ কলেজ থেকে বায়ো-সায়েন্সে স্নাতক। ছোট বেলা থেকেই নাচ,গান, আবৃত্তি, ছবি আঁকা, ফটোগ্রাফিতে ছিল শখ। বিবাহসূত্রে খড়্গপুরের বাসিন্দা। আঞ্চলিক...

এই বিভাগের অন্যান্য লেখাসমূহ

উত্তরাধিকার

উত্তরাধিকার

কাঁটায় কাঁটায় বিকেল চারটা পঞ্চান্নতে ডাইনিং রুমের উত্তরের দেয়ালে কাঠের ফ্রেমে বাঁধাই করা ফুলদানিতে বর্ণিল…..