চিরঞ্জীব হালদারের কবিতা

চিরঞ্জীব হালদার
কবিতা
চিরঞ্জীব হালদারের কবিতা

১.

মজুমদারের ধর্মপত্নীর নাম কি।
মজুমদারবাবুর বাঁকা গালে কোন পৌন্ড্র- ক্ষত্রিয় ডাক্তার অক্ষর তরল ইনজেক্ট
করেছিল।
শ্রীমজুমদার কি পয়ার ছন্দে একটু অপটু ছিলেন।প্রমথ বাবু কি তাহাকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছিলেন।

তখন কফিহাউসে গায়ত্রীবর্ন রোদের শিহরন।
তাহার ছায়ার নাম কি বিনয়।

ধ র্মাবতার এই সব সাধারন জ্ঞানের উত্তর জানিনা।
আমার সাড়ে পাঁচ পোয়ার শাস্তির কত শতাংশ মুকুব হইতে পারে।
ওই দেখুন প্রসন্ন গোয়ালিনীর আঁচলের খুঁট কি এই জরিমানা বহনে প্রস্তুত।

 

২.

বিবাহ বর্হিভূত প্রেমালাপে বউ ঢুকে পড়লে যেমন হয় আরকি।
বেড়ালের তাল গাছে ওঠার ব্যাকরণ
আমার গুপ্ত পকেট থেকে কোকিলের মত ডেকে ওঠে।

দিদিমার ফোকলা দাঁত থেকে জন্ম
নেওয়া সুপারি গাছ।
সুপারি ফুলের পরাগ থেকে লিপ্সটিক বানাতে জানলে যে কেহ চাঁদে পৌঁছে যাবে।

আমার বউ দেখি পৃথিবীর মানচিত্র কিনে
তার ধর্মস্বামীর জন্য সুপারিদ্বীপ খুঁজে বেড়াচ্ছে।
যেখান থেকে শুরু হবে দ্বীপান্তরের জন্মকথন।

৩.

মধ্য রাতে কে আমায় দারুবিপনীর সন্ধান বলে দেবে।
আমার কাঁধে লালবর্নের যে দাগ দেখছেন
এর বিনিময়ে কি এক বোতল ভদকা পেতে পারি।
বিশ্বাস করুন এটা
আণ্ড্রে হেপবার্নের বেসামাল হৃদয়ের নীল অক্ষাংশ।
মেরিলিন এর প্রেমিক কে আমি জানিনা
ধর্মাবতার।
আমার আর আল্পনাহেপবার্নের ডি এন এ টেষ্টের আজ্ঞা দিলে কৃতজ্ঞ থাকব।

চিরঞ্জীব হালদার। কবি। মূলত ক্ষুদ্র পত্র -পত্রিকার লেখক। জন্ম- ২০ সেপ্টেম্বর ১৯৬১, গাববেড়িয়া; দক্ষিণ ২৪ পরগণা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত। পড়ালেখা করেছেন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এ ডিপ্লোমা। লেখালেখির শুরু গত শতাব্দীর আশির দশক। শুধু কবিতা আর ভালো কবিতাই তাঁর আরাধ্য। এপর্যন্ত নির্মিত কাব্যগ্রন্থ ষোলটি। প্রকাশিত সাতটি। যৌথ সংকলন একটি। সম্পাদিত কবিতা...

এই বিভাগের অন্যান্য লেখাসমূহ