তন্ময় চট্টোপাধ্যায়ের ছড়াকবিতা

তন্ময় চট্টোপাধ্যায়
কবিতা, পডকাস্ট
Bengali
তন্ময় চট্টোপাধ্যায়ের ছড়াকবিতা

রবিঠাকুরের কথা

লিখবো আমি তোমায় নিয়ে কথা
ভাবতে আমার শরীর জুড়ে কাঁটা।
শুনবে তুমি কেন এমন হ’ল
শুনবে তুমি আমার ঘটনাটা।

বললো মেয়ে এমন কিছু লেখো
ছাপতে পারি নতুন পত্রিকাতে,
মাংস না হোক চাটনি যেন হয়
দিতে পারি বিদগ্ধ জন পাতে।

ডেকে ডেকে পাগলপারা আমি
এসোনাগো ঠাকুরবাবা পাশে
তোমায় নিয়ে লিখবো মনের আশ,
শুনে ঠাকুর মুখ লুকিয়ে হাসে।

বললে ঠাকুর নিজেই শুরু কর
আসছি আমি একটু খানিক পরে।
সকাল থেকে কাগজ কালি নিয়ে
বসে আছি দোতলারই ঘরে।

ঘন্টা খানেক পরে ঘেমে নেয়ে
বললো ঠাকুর আমার দিকে চেয়ে
এখন কি আর লিখতে আমি পারি?
লেখার সাথে এখন আমার আড়ি।

ছুটির দিনে আমার অনেক কাজ,
বাজার করা রেশন আনা বাকি,
লেখার সময় লিখেই গেছি শুধু
এখন আমি শুধুই মারি ফাঁকি।

বননু আমি এমন কেন বলো
কোনো কিছুই রাখোনিকো ফেলে,
ইচ্ছা মনের শুধাই তোমায় আমি
এমন কথা সময় সুযোগ পেলে।

রবিঠাকুর এলেন অনেক পরে
খাবার দাবার গুছিয়ে রান্নাঘরে
ঘেমে নেয়ে একশা হ’ল জামা
ঘামের ফোঁটা পড়ে পায়ের পরে।

দুজন মিলে অনেক কথা হবে
কথা বলার লোকই আমার কম,
লোকে ভাবে কাজ কিছু মোর নাই
মিলিয়ে গেছে কাব্য লেখার শ্রম।

কখন জানি এই ভাবনার ফাঁকে
ঠাকুর এসে বসলো আমার পাশে,
বললো কাগজ কালি সবই নয়
লেখা কিন্তু ভেতর থেকে আসে।

চমকে উঠে দেখি মাথায় হাত
মা বলছে আমায় আদর করে ,
এত বেলায় ঘুমায় নাকি কেউ!
সূয্যি কখন গেছে পাটের পারে।

লজ্জা পেয়ে রাগছি নিজের মনে
এসেছিলেন রবিঠাকুর বাগে
রেখে দিতাম মনদেরাজে পুরে
জানা যদি থাকতো খানিক আগে।

এমন কথা ভাবতে ভাবতে কত
রাত কেটেছে ‘নেইকো ঘুমের’ ত্রাস
ক্ষতির থেকে লাভের ওজন বেশি
বেশ সহজে হচ্ছে টাইম পাস।

রবিঠাকুর তোমায় মনে পড়ে
যখন ছিলাম আমার মায়ের ভ্রুনে
সারাজীবন বৃথাই গেলাম ছুটে
মরবো আমি তোমার কথা শুনে।

অডিওপাঠ শুনুন এখানে:

তন্ময় চট্টোপাধ্যায়ের আটটি ছড়াকবিতা

তন্ময় চট্টোপাধ্যায়ের ছড়াকবিতা আবৃত্তিআবৃত্তি করেছেন সুকন্যা চট্টোপাধ্যায়।

Posted by Ongshumali অংশুমালী on Thursday, July 4, 2019

 

মুখে পিংপং বল

অবিনাশ বাবু বয়সে প্রবীণ সরকারি অফিসার
হাতে বশ কম গালের দাড়িও কাটেন না ঘরে আর।
তোবড়ানো গাল দাড়ি থেকে যায় লোকে আন কথা বলে
পাড়ার সেলুনে কাটবেন দাড়ি নাতি গেলে ইস্কুলে।
সেলুনে ঢুকেই বললেন দাদু ভালো করে কেটো দাড়ি
দাড়ি নাহি রয় আগেকার মতো যেথা খুশি যেতে পারি।
প্লেটের ওপরে পিংপং বল তুলল সামনে ঝুঁকে
কাটতে সুবিধে কাটবেনা গাল বলটা রাখুন মুখে।
দাড়ি কাটা সারা দারুন ফুর্তি মেজাজটা ফুরফুরে
পয়সা মিটিয়ে মনের খটকা আবার এলেন ফিরে।
বল যদি কভূ পেটে চলে যায় তার সমাধান কিসে
ডাক্তার বাড়ি যেতে হবে নাকি এমনিই যাবে মিশে।
চিন্তার কিছু নাইকো তেমন প্রায় ই এমন ঘটে
পরের সকালে পেট হলে সাফ ফিরে আসে বল প্লেটে।

 

ফেলছি পানের পিক

কদিন ধরেই শুনছে পিসি দারুন কি এক ছবি
বিশ্ব জোড়া সফল নায়ক নাম করেছে খুবই।
বলছে সবাই এমন ছবি অনেক দিনের পরে
সবাই এখন কাজের শেষে হাজির ছবির ঘরে।
পাড়ার পিসি খাবার খেয়ে চমক দেওয়া শাড়ি
বেশ কখানা পান সেজে নিয়ে চললো ছবির বাড়ি।
যাবার বেলায় সঙ্গে নিলো কোল্ড ড্রিঙ্কস এর শিশি
দুপুরটাতো কাটবে ভালো ভাবনা অহর্নিশি।
বসলো সিটে ব্যালকনিতে ভেতর অন্ধকার
তার মধ্যেই বসলো সবাই টিকিট যেথায় যার।
নিয়ম মতোই হল শুরু পিসির প্রিয় বই
না দেখলে এই ছবিটা জীবন হারাবোই।
মাঝে মাঝেই পিসি ঠেকায় বোতল নিজের ঠোঁটে
দর্শকেরা নিজের থেকেই ঢুকছে ছবির প্লটে।
পাশের থেকে একটা ছেলে দেখছে পিসির খাওয়া
ভাবছে মনে একটু যদি এখন যেত পাওয়া।
জীবনটাতো ধন্য হত জমতো ছবি দেখা
এই শিশিটাই সাবাড় করি ভাগ্যে যা থাক লেখা।
পিসি যদি রাগ করে তো বেরিয়ে হলের থেকে
দু চার বোতল খাইয়ে দেবো ডেকে পাড়ার ঠেকে।
ঢক ঢক ঢক শেষ করলো শিশির বটম তক
ঝাঁঝটা এটার বড্ড বেশি বোধহয় কারেন্ট স্টক।

বললো পিসি কি করছিস ব্যাপারটা নয় ঠিক
বোতলটাতে তখন থেকে ফেলছি পানের পিক।

 

দ্যাখ না কেমন লাগে

হাইস্কুলের বড়দিদিমনি ব্যাংকের খিড়কিতে
তিন’শ টাকার চেক খানি কেটে বললেন টাকা দিতে।
তিন শত টাকা হবেনা এখানে পাঁচ হাজারের কম
এটিএম থেকে নিতে হবে টাকা ব্যাংকের ই এ নিয়ম।
টাকা আছে যত আমার খাতাতে দিন সব একেবারে
এমন ব্যাংকে রাখবো না টাকা সময়ে যে দিতে নারে।
ব্যাংকের বাবু খাতা খানি দেখে বললো মোদের ঘরে
এতগুলো টাকা ব্যাংকেই নাই পাবেন কেমন করে।
আপনি বরং দেখা করে যান শাখা মালিকের সাথে
আপনার টাকা ব্যাবস্থা করে দেওয়া যেতে পারে যাতে।
তাহলে বলুন কতখানি টাকা একবারে দেওয়া যাবে
তিন লাখ টাকা একবারে কেউ নিলেই সে টাকা পাবে।
তিন লাখ টাকা লিখে দিয়ে চেকে দিলেন কাউন্টারে
ক্যাশিয়ার বাবু টাকা গোছালেন ছোট বড় নোট ধরে।
বললেন তিনি বুঝে নিন টাকা ছাড়লে কাউন্টার
কম যদি হয় একবার গেলে দেওয়া যাবে না কো আর।
দিদিমন নিয়ে সমস্ত টাকা গুনলেন একে একে
তিন শত টাকা বার করলেন নোট বান্ডিল থেকে।

বললেন দাদা দয়ার সাগর একটু কষ্ট করে
আমার খাতাতে সমস্ত টাকা দিন এইবার ভরে।
মনে মনে তিনি বললেন নিজে ভাবিস কাজের আগে
পড়লি তো তুই নিজের ফাঁদেই দ্যাখ না কেমন লাগে।

দাঁত তোলা

দাঁত তুলতে লাগবে কত,কেমন খরচ হবে?
সব মিলিয়ে একটা দাঁতে হাজার তিনেক যাবে।
এত্তো খরচ!সস্তা কোন রাস্তা আছে নাকি
একেবারেই চুকিয়ে দেব রাখবো নাকো বাকি।
খরচ একটু বেশী হলেও কষ্ট হবে কম
স্থানটা অবশ না করে দাঁত তোলাটা নির্মম।
খরচ তাতে অনেকটা কম দরদটা খুব বেশি
রোগাপটকা লোক হলে তো জীবনই হবে শেষ।
ঠিক হলো কাল দূপুরবেলা দাঁতটা দেবে তুলে
খরচ কমের আনন্দেতে দরদ যাবো ভূলে।
কাজটা করে অবাক হয়ে বললো হাতে ধরে
শেখার কোন শেষ নেইকো শিখছি নতুন করে।
তোমার কাছে শেখার আছে কত কষ্ট করে
অবশ ছাড়াই দাঁত তোলা যায় শিখছি জীবন ধ’রে।
ভিজিট আমার লাগবে নাকো দক্ষিণা ঋণ শোধ
হাজার টাকা না দিলে ভাই কমবে না পাপবোধ।
দাঁতটা তুলে হাসি মুখেই রুগী চললো বাড়ি
পরের কাজটা সারতে হবে একটু তাড়াতাড়ি।
সন্ধেবেলায় ক্লাবের ঘরে ঘরে এলেন চিকিৎসক
ঘটনাটা শোনার পরে পেলেন ভীষণ শক্ ।

সভার সবাই সকালবেলার ঘটনাটা শুনে
নতুন একটা জালিয়াতি সবাই গেল জেনে।
আসল যেটা জানা গেল ঐ রুগী সকালে
অবশ করে দাঁতের গোড়া বসিয়ে ছিলাম টুলে।
একটু পরে যখন তাকে আনতে গেলাম ডেকে
(দেখি) পরের রুগী দাঁড়িয়ে আছে পাইনি খুঁজে তাকে।

 

ঋতুরং

গরম নাকি দেখতে বেঁটে কালো,
পায়েতে নখ,মাথাতে তার সিং,
হাতের ছড়ি জড়িয়ে মাঠে ঘুরে
নিজেকে ভাবে এই ধরারই কিং।

নিজের পোষাক জমকালো বেশ দামী
এলাকাতে নাম ডাক তার খুব,
বর্ষা এলেই পোশাকটা জ্যাবজ্যাবে
মুখ লুকিয়ে কোথায় যে দেয় ডূব।

বর্ষা কখন ফর্সা,অন্ধকার
বুঝি না ভাই এই রূপের কি মানে
পোশাকটা তার ভীষণ আলুথালু
লুকোচুরি খেলতে ভালোই জানে।

শরৎবাবু ভীষণ পরিষ্কার
দিবসে মেঘ রাতের বেলায় তারা
মেঘ শিকারায় চাপিয়ে মনের ঝাঁপি
মাতিয়ে বেড়ায় দাপিয়ে সকল ধরা।

হেমন্ত কি ঘুমিয়ে থাকে সদাই
নইলে সে কি ভীষণ লাজুক নাকি ,
কখন যে সে আসে কখন যায়
দেখতে যে পায় সে জন ভীষণ লাকি।

ঠান্ডা নাকি দেখতে ভীষণ মোটা
বড্ড শীতে খুব গিয়েছে জমে,
অনেক ভায়াই তার জ্বালাতে কাবু
সিঁটিয়ে থাকে শীত দাদার ই নামে।

শীত কি থাকে সব খানেতেই এক
ভারখয়ানস্ক কিংবা অ্যানটার্কটিকা
কর না রে সার্চ গুগুলদাদার ঘরে
সবকিছুই তো সেথায় আছে লেখা।

কোট জ্যাকেটে মুড়িয়ে শরীরটাকে
শীত নাকি খুব মিষ্টি সাদা রংএ,
দাঁড়িয়ে থাকে ম্যালের গলির মুখে
গোল্ডরাসেরই চ্যাপি দাদার ঢংএ।

বছর শেষে বসন্তটা আসে
সব সময়েই মেজাজটা ফুরফুরে,
চায়না যেতে বাংলাদেশের থেকে
আসতে যে চায় সদাই ঘুরে ফিরে।

যখন যে যার টপ ফর্মে রয়
ভাসিয়ে বেড়ায় ধরার সকল লোকে,
গ্রীষ্মে পোড়ে ধরার সকল কনা
জীবন্তরা থাকে গভীর শোকে।

 

কাজের স্থানে ফোন

বরেনবাবুর মুঠোফোনে বাজলো আওয়াজ জোরে
ফোনটা কানে দিয়ে বাবুর মাথাই গেল ঘুরে।
বিল এসেছে লক্ষ্ টাকার কে যে করে ফোন
আজকে ঘরে ফিরে রাতে অনর্থ বিলক্ষণ।
সন্ধেবেলা সবাই এলো ডাইনিং এরই ঘরে
সবার কাছে প্রশ্ন বাবুর বিল এতো কি করে।
লিখে রাখি ফোনের লিস্টি দিনরাত্তির ধরে
লিস্টি ধরে ফোনটা সারি মনের মতন করে।
গিন্নি বলেন স্কুলে আমি থাকি ভীষণ ব্যাস্ত
কেউই ঘরে ঢোকে নাকো সবাই থাকে ত্রস্ত।
সেই সুযোগে ফোন করে যাই ডোন্ট ডিসটার্ব সাঁটা
কোনদিনই কেউ জানেনা আসল ঘটনাটা।
ছেলে থাকে সদাই ব্যাস্ত অফিস কম্পিউটারে
সেখান থেকে সব ফোনই হয় সারাটা দিন ধরে।
চাইলো মেয়ে সবার দিকে ঘরে কতক্ষণ
মনার গাড়ীর সিটেই থাকি জানে সর্বজন।
থাকলো বাকি কাজের মেয়ে তার ওপরেই রোষ
ফোন করে সব কাজের স্থানে আমি করলেই দোষ।

 

ধুতি কোথা রেখে এলে

বীরেনবিজয় বড় সুখী লোক এলাকার জমিদার
মাঝে মাঝে শুধু আন বাড়ি যান দোষ নাই কিছু আর।
বিকেলের পরে নিপাট পোষাক ভুলেন সকল শোক
ফিটন গাড়িতে যান জমিদার নিপাট ভদ্রলোক।
প্রতিদিনই যান বাইজীর বাড়ি জমিদার ব’লে কথা
আগে ঘরে এসে নাচতো বাইজি ভেঙেছে সে সব প্রথা।
আছে তালদিঘী তালগাছই নাই ডোবে না সেথায় ঘটি
ঠাটবাট আজও ঠিকই ধরা আছে,প্রোফাইল ফাটাফাটি।
বাবুর সুবিধা থাকে না কো বাধা করা যায় সবকিছু
আকণ্ঠ গিলে বেহেড হলেও ঘোরে নাকো বিবি পিছু।
গিন্নির মনে প্রশ্ন অনেক বাবু হলে ঘর বার
থাকে নাকো মান ঘরের আব্রু ঢাকা থাকে না কো আর।
তাও মেনে নেন এই অপমান বাহির সন্ধ্যা জুড়ে
না হলে রাত্রে দেবে না ঘুমাতে জ্বালাবে যে ঘুরে ফিরে।
গুবরে পোকারা পটবাড়ি খেয়ে উপুড় ঘরের দ্বারে
উলটিয়ে দিলে সকালেই ফিট কাজে ফিরে যায় উড়ে।
সন্ধ্যার আগে কাজ হলে সারা সাজ ঘর থেকে এসে
বিবি সেথা এসে দামী আলোয়ান বেঁধে দেন গলে ক’সে।
ঠিক যেন সাপ ছিল সে কেউটে আজ ব’নে গেছে ঢোঁড়া
আলোয়ান খানি রাখে যেন মান ফনী যেন বুক জোড়া।

ফিদিন রাত্রে ফেরেন ভবনে ফেরেনাকো আলোয়ান
এই নিয়ে সদা চাপা অশান্তি রিলেশনে পড়ে টান।
বিবি কন ডেকে এলে কোত্থেকে ভিখিরি পথের পারা
ফিরলেন বাবু গিলে আকন্ঠ নাগ যেন ফনীহারা।
কাল থেকে যদি হারাও চাদর ঘরের আদর হানি
মদ খেলে তুমি থাকোনা জগতে সেটা আমি বেশ জানি।
বলে জমিদার দেখে নিও তুমি চাদর না নিয়ে ফিরি
দেখাবো না মুখ এ জগতে আর করবই হারাকিরি।
রোজ রোজ আমি সইবোনা আর এইভাবে অপমান
হারাবোনা আর গলার চাদর রাখবো নিজের মান।
পরের সন্ধ্যা বাবু বেরোবেন মাতাজী এলেন কাছে
এই শেষ খানি দিলাম তোমাকে যা আমার স্টকে আছে।
অনেক দিনের পুরোনো চাদর অ্যান্টিক ভ্যালু খুবই
এটা হারালে না কেতার বারোটা বংশের ভরাডুবি।
শুধু শুধু তুমি ক’রো না চিন্তা একটু ভরসা রাখো
যায় যদি প্রাণ ছাড়বো না একে টেনশন ফ্রী-ই থাকো।
সন্ধ্যা থেকেই গেলাসে চুমুক চাদরের ভাবনাতে
একটু বেশি ই খাওয়া হ’ল আজ কিই বা আসে যায় তাতে ।
এমন জিনিস দুঃখ কিংবা সুখ যদি আসে মনে
সব ক্ষেত্রেই এটাই ওষুধ এটা সকলেই জানে।
মনে বড় সুখ ছাড়েনি চাদর বাড়ির সামনে এসে
ডাকে সবাইকে এসে দেখে যাও সম্বিত ঠিকই আছে।
সন্ধ্যা থেকেই ছিনু সাবধান চাদর হারাই যদি
মরেও শান্তি পাবো নাকো এই চিন্তাই নিরবধি।

শুনে কলরোল ঘুম চোখে নাতি ছিল সে মায়ের কোলে
চোখ কচলিয়ে চিৎকার করে ‘ধুতি কোথা রেখে এলে’।

 

 

 

 

 

এই বিভাগের অন্যান্য লেখাসমূহ