তারকরঞ্জনের কবিতা

তারকরঞ্জন গুপ্ত
কবিতা
Bengali
তারকরঞ্জনের কবিতা

অবাস্তব

ভাবনা গুলো আমায় কেন
জটিল করে ভাবতে শেখায়?
একের সাথে এক জুড়ে যায়
পরিস্থিতির আগাম রেখায়?

হাজার মাইল টহল দিয়ে
খ্যাপায় খোঁজে পরশ পাথর
আজ নিজেকে আগলে নিয়ে
রোদ দুপুরে বর্ষা- কাতর

দ্বন্দ ছিল, বন্ধ ঘরে –
বাড়তে থাকে জটিলতা
সমীকরণ খুব সোজা নয়
ত্রি -মাত্রিক আলোক লতা

যতই এগোই আলোর নেশায়
অন্ধকারটা সঙ্গে হাঁটে
ফ্রিকোয়েন্সি বদলে গেলে
দেখা হবে চাঁদের হাটে !

 

 

 

তিনটে মুখোশ

একটা মানুষ তিনটে মুখোশ
কোনটা ছেড়ে কোনটা দেখি?
আসল নকল সব মিশে যায় ,
ভালোর সাথে হাটছে মেকি!

সত্যি ছিল ঘুড়ির লড়াই
মাঞ্জা কাঁচের , খেলার ছুতো
ঝগড়া হতো তুমুল তখন
ছিড়তো সুতো, জুড়তো সুতো

এখন কেন আর পারি না
মাঞ্জাতে হাত কাটলে পরে
কোথায় লাগে তাও বুঝি না
বুকের মাঝে রক্ত ঝরে

আকাশ জুড়ে একলা লাটাই
জিতবো ভাবি সব ম্যাচে
ভোকাট্টা নয়, বিষ ছুড়ে দি
কথায় কথায় মারপ্যাঁচে

সত্যি কে আজ হারলো বলো
জেতার পরে একলা হাঁটি
অমৃত আজ নাই বা পেলাম
আয় রেখেদি বিষের বাটি !

তারকরঞ্জন গুপ্ত। লেখক ও বিজ্ঞানী। জন্ম দক্ষিণ কলকাতায় ১৯৭৩-এর মার্চ মাসে। ৯৪’এ বেলুড় রামকৃষ্ণ মিশন থেকে রসায়নের স্নাতক। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তরের পর, ২০০৩-এ আইআইটি খড়্গপুর থেকে পলিমার কেমিস্ট্রিতে পিএইচডি, পরের বছরেই ফ্রান্সের নান্সিতে সিএনআরএস ফেলোশিপে পোস্ট ডক্টরেট করার পর...

এই বিভাগের অন্যান্য লেখাসমূহ

প্রতিভাস

প্রতিভাস

স্পষ্টতা অন্ধকারের মতো স্পষ্টতা আলোর মধ্যগগনে নেই। উত্তাপে ঝলসে যাওয়া চোখে শীতলপাটি বিছিয়ে দেয় রাত…..

চিঠি

ক্ষোভ রোদের দোকানি হয়ে, ছুঁয়ে গ্যাছি দূর পরবাস আলোর ক্রেতারা দেখে, শূন্য ঝুলি খালি সর্বনাশ।…..