নতুন ভোর

কাজরী মজুমদার
গল্প
Bengali
নতুন ভোর

“শর্মিলা ম্যাডাম! এই নিন, সেভেন, এইট আর নাইনের গরমের ছুটির হোমওয়ার্ক। এটা ব্ল্যাকবোর্ডের পাশে টাঙিয়ে দেবেন, আর অভিভাবকদের বলবেন ছবি তুলে নিতে”

শর্মিলা খুব অবাক হয়ে  “কিন্তু অরূপ বাবু! এটায় তো কিছুই লেখা নেই। শুধু একটা লিংক দেওয়া!”

অরূপ বাবু মুচকি হেসে “ওই যুগ চলে গেছে ম্যাডাম! এখন আমাদের ওয়েবসাইটে, এই লিঙ্কে ক্লিক করলে, সব ক্লাসের কী কী হোমওয়ার্ক, তা সবাই দেখতে পারবে। আর সেই অনুযায়ী, কাজ করে জমা দেবে “

-তার মানে তো অনলাইনে?

-হ্যা অবশ্যই অনলাইনে!

-কিন্তু আমরাই তো বাচ্চাদের বলি, যে মোবাইল ধরা ভালো না, অনলাইনে থাকা ভালো না! আর সেখানে শিক্ষক হয়ে, আমরাই আবার ওদের জোর করে মোবাইল ধরার উপায় করে দিচ্ছি!

অরূপবাবু এই কথার উত্তর আর দিতে পারেন নি। তবে এসব ব্যাপারে তাঁর স্কুলের পুরোনো সহকর্মীরা কখনো প্রশ্ন তোলেন নি। অথচ তিনমাস আগে জয়েন করা শর্মিলা স্বরের এতটা স্পর্ধা, যে স্কুল কমিটির দিকে আঙ্গুল তুলে প্রশ্ন করে?

বর্ধমান স্টেশানে নেমে, অটোতে উঠে বেশ অনেকটাপথ এগোহৃদয়পুর। সেখানেই শর্মিলা স্বরের পৈতৃক বাড়ি। শর্মিলা বরাবর পড়াশোনায় খুব ভালো। শর্মিলার বাবা কেবলের অফিসে সামান্য কর্মচারী ছিলেন। তবে মেয়ের পড়ার আগ্রহ দেখে, কেবল অফিসের কাজ ছাড়া, লোকের বাড়ির টুকটাক ইলেক্ট্রিকের কাজ করা, ঘরে পর্যাপ্ত জিনিসপত্র কিনে এনে ইমার্জেন্সি লাইট বানিয়ে, দোকানের থেকে একটু কম দামে বিক্রি করাই তাঁর অর্থ উপার্জনের উপায় ছিল। শর্মিলার মা খুব সংসারী ছিলেন। তাই অতি কষ্টের মধ্যেও তাঁরা শর্মিলার পড়ার খরচ চালিয়ে গেছেন। শর্মিলাও বাবা মার কষ্ট বিফলে যেতে দেয় নি। মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিকে খুব ভালো রেজাল্ট করে, নিজে টিউশনি করে, খুব কষ্টের মধ্যে এক এক করে কলেজের ধাপ পেড়িয়ে, শেষে ইংলিশে এম এ পড়ে, এখন একটা নামী সরকারি স্কুলের সেকেন্ডারির শিক্ষিকা।

এখন আর শর্মিলার বাবাকে কাজে যেতে হয় না। গত তিনমাস ধরে তাঁদের কষ্টের অবসান ঘটেছে। একটু গ্রামের দিকের মেয়ে বলে, শর্মিলা শহুরে আদব কায়দা থেকে একটু বিরত। তবে জ্ঞানের ভাণ্ডারে সে খুব একটা পিছিয়ে ছিল না।

অরূপ বাবুকে ওই কথা বলার পর বিথি এই কথাটা প্রিন্সিপালের কানে এভাবে পৌছিয়ে দিলো

“গ্রামের দিকের তো স্যার, তাই বোধ বুদ্ধি একটু কম। কিন্তু চিন্তার কথা হলো, এসব কথা যদি ছাত্র ছাত্রীদের বোঝায় বা তাদের অভিভাবকদের বোঝায়, তখন কিন্তু খুব মুশকিল হবে। তখন স্যার আপনাকে অনেক প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হবে। তাছাড়া আমরা এতোবছর ধরে এখানে কাজ করছি, আমরা কখনো স্কুল কর্তৃপক্ষের কোনো সিদ্ধান্তের ওপর প্রশ্ন তুলি নি, আর এ তো কদিন আগে এসেই, এসব শুরু করে দিয়েছে!”

প্রিন্সিপাল বিথিকে আর কিছু না বলে, টিচার্স রুমে খবর পাঠান যে, ছুটির পর যেন কোনো টিচার বাড়ি না যান, মিটিং আছে। বিথি শুনেই মনে মনে খুব খুশি হয়ে গিয়েছিল, যে তার প্রিন্সিপালের কান ভাঙানির কাজটা তাহলে সার্থক হয়েছে। বিথি এই স্কুলে চাকরি করছে গত চারবছর ধরে। জায়গা বুঝে কথা চালান করা, তার স্বভাব। বিথির এসব চালাকি সবাই বুঝতে পারলেও, সামনে তেমন কেউ কিছু বলতো না। শর্মিলা স্কুলে আসার পর তার সরল সাদাসিধে কথা, তার ভালো ব্যবহার সবাইকে মোহিত করেছিল। বিশেষ করে শিক্ষকদের আর সেখানেই বিথির রাগের কারণ। উদ্দেশ্য, কীভাবে শর্মিলাকে সবার সামনে খারাপ প্রমাণিত করবে।
স্কুল ছুটির পর প্রিন্সিপালের আদেশে সবাই জমায়েত হয়ে, মিটিং শুরু হলো। স্কুলের বিভিন্ন কায়দা কানুনের কথা বলতে বলতে প্রিন্সিপাল শর্মিলার উদ্দেশে বললেন-

-মিস স্বর, আপনার কিছু বলার আছে?

-বলার আছে ঠিক না, তবে কিছু জানার আছে

-বলুন

-আজকাল বাচ্চাদের খুব প্রিয় জিনিস হলো মোবাইল। তারা সারাদিন মোবাইল হাতে পেলে খুব খুশি। তাদের ভালোর জন্য তাদের মা-বাবারা, আমরা সবাই মোবাইল থেকে তাদের দূরে থাকতে বলি। কিন্তু আজকে দেখলাম, আমরা তাদের একটা লিংক দিচ্ছি, সেখান থেকে তারা তাদের ক্লাস অনুযায়ী হোমওয়ার্ক দেখে নেবে। এবং আমি এও চেক করলাম, তার মধ্যে নেট থেকে দেখে করার মতোও অনেক হোমওয়ার্ক আছে। এবার আমার প্রশ্ন হচ্ছে, আমরা যখন বাচ্চাদের বলছি, মোবাইল ধরা ভালো না, বেশী ধরলে তার এই এই সাইড এফেক্ট আছে। তাহলে আমরা কেন বাচ্চাদের বাড়ির কাজের জন্য, ভালো পড়াশোনার জন্য, মোবাইল ধরতে বাধ্য করছি?

প্রিন্সিপাল তাঁর উত্তরে বললে-

“পড়াশোনার পরিধি আর আগে মতো নেই মিস স্বর! আপনি নিজেও তো বেশিদিন হয়নি পড়ে, পাশ করে বেড়িয়েছেন। এখন শুধু বই পড়লে হয় না। এখন চারিদিকে নানা কম্পিটিশন… পড়ার, স্কুলের, কলেজের, চাকরির। সেখানে নিজের একটা জায়গা করে নিতে, অনেক বেশী পড়তে হবে। নেট ঘেটে খুঁজে দেখতে হবে। আর হোমওয়ার্কের কথা বলছেন! এখন কদিন পরপরই বাচ্চাদের পরীক্ষা, তাদের প্রশ্নপত্র তৈরি করা, বারবার পরীক্ষার খাতা দেখা এসব করে টিচারদের আর সময় কোথায়? আর তাছাড়া লিংকের মাধ্যমে হোমওয়ার্ক দেখে নিলে, দোষ কোথায়?”

-দোষ শুধু এই একটায় নয় স্যার, দোষ আমাদের শিক্ষার নিয়মে, দোষ আমাদের চিন্তাধারার। এসব কথা বলতে গেলে অনেক অপ্রিয় কথা হয়ে যাবে, যা আপনাদের কারুরই ভালো লাগবে না।

বিথির মনে হলো শর্মিলাকে ঠিক জব্দ করা গেল না, তাই এবার অপ্রিয় কথা বললে তখন অনেকেই ওর ওপর রেগে যাবে। তাই শর্মিলার উদ্দেশে বলে উঠলো-

-না না অপ্রিয় হবে কেন, তুমি বলো। স্যার তো বলার আর শোনার জন্যই এই মিটিং ডেকেছেন

প্রিন্সিপালও শর্মিলাকে বলতে বললেন। শর্মিলা বলা শুরু করল-

-স্যার, এই যে টিচাররা এত এত পরীক্ষা নিতে ব্যস্ত থাকেন, আপনার মনে হয়না এসব অযথা করা হয়!

-পরীক্ষা নেওয়া অযথা হবে কেন, পরীক্ষার একটা চাপ থাকলে বাচ্চারা পড়াশোনা করে, তাছাড়া পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের অভিজ্ঞতা বাড়ে আর প্র্যাকটিসও হয়।

-এটা বলুন তো স্যার, বাচ্চাদের এত পড়তে হয় কেন?

-সে আবার কী কথা?

-আমরা ছোটবেলা থেকে বাংলা, ইংলিশ, অংক, বিজ্ঞান, ভূগোল, ইতিহাস, তাছাড়া সংস্কৃত আর হিন্দিও পড়ে থাকি। কিন্তু বড় হয়ে, যার যেটা পছন্দ সেই বিষয়টা নিয়ে পড়াশুনা করি। যখন বড় হয়ে আমরা সাবজেক্ট বেছে নিই তাহলে ছোটবেলা থেকে কষ্ট করে, সববিষয়ে ভালো নম্বর পাওয়ার জন্য, দিনরাত পড়ার কী দরকার? মানে, যে বড় হয়ে সায়েন্স নিয়ে পড়বে, তাকে ইতিহাসের সব, ভূগোলের সব পড়ে ভালো রেজাল্ট করতে হবে কেন?

-এটা কী বলছেন! প্রতিটা সাবজেক্টেই অনেককিছু জানার আছে। ধরুন যেমন আপনি ইংলিশে এম এ করেছেন, তাই বলে কী আপনার জীবনে ভূগোল, ইতিহাসের কোনো প্রয়োজন কখনো হবে না?

-হবে না বলি নি তো! প্রত্যেকের প্রতিটা সাবজেক্টের দরকার আছে। বাংলা, ইংলিশ, অংক, বিজ্ঞান এগুলো ঠিক আছে কিন্তু বাকিগুলোর বেসিক শেখানো উচিত। যেমন ধরুন ইতিহাসে আমাদের দেশ কবে স্বাধীন হয়েছিল, দেশ স্বাধীন হওয়ার আগে আমাদের দেশের কী রকম পরিবেশ ছিল, কিছু বিপ্লবীদের নাম, আমাদের দেশের ম্যাপটা কেমন ছিল, এরকম নানা কথা জানলো এবং পড়ে পরীক্ষা দিলো ঠিক আছে। কিন্তু টিপু সুলতান কবে জন্মে ছিলেন, কবে মারা গিয়েছিলেন, মুঘল সাম্রাজ্যের সব কখন কী হয়েছে, কে কত সালে গেছেন, কে কোন সালে এসেছেন… এসব পড়ুক কিন্তু এসব মুখস্ত করে পরীক্ষা দেওয়ার কী আছে! যখন কেউ বড়ো হয়ে ইতিহাস নিয়ে পড়বে তখন এসব ডিটেইলসে পড়ুক, পরীক্ষা দিক।

অহেতুক অপ্রয়োজনীয় অতিরিক্ত পড়া, পরীক্ষার সিলেবাসে রেখে বাচ্চাদের পড়ার প্রতি বিতৃষ্ণা এসে যাচ্ছে। টিচাররা খাতা দেখে দেখে বিরক্ত হয়ে যাচ্ছে, আর তার মাঝে জানার আগ্রহ, পড়ানো-বোঝানোর চেষ্টা সব চাপা পড়ে যাচ্ছে। জীবনে চলার পথে, বিভিন্ন পরিস্থিতিতে যে জ্ঞান কাজে লাগবে, সেগুলো নিয়ে অনেক গভীরভাবে পড়ানো হোক। নাকি সর্বজ্ঞানে জ্ঞানান্বিত করার জন্য অপ্রয়োজনীয় জ্ঞানে মাথা ভরিয়ে দিক।

অনেকেই শর্মিলার কথায় সমর্থন করছিলেন, তা দেখে বিথি বিচলিত হয়ে বলে উঠলো…

-কিন্তু এটা তো প্রসঙ্গ ছিল না, ইন্টারনেটে বাচ্চাদের পড়াশুনা নিয়ে কথা হচ্ছিল

-আমি প্রসঙ্গ থেকে আলাদা কোনো কথা বলিনি, এগুলো একটার সাথে একটা রিলেটেড।

আমরা ছোট ক্লাসের বাচ্চাদের নেট ঘেটে, বাড়ির কাজ করতে বলছি। ছোটরা নিজে খুঁজতে পারবে না, তাদের বাবা, মারা খুঁজে দেবেন, তারা শুধু লিখে নেবে। তাদের এই কাজটাই যদি আমরা করি, তাহলে আমরা সেটা নিয়ে বুঝিয়েও দিতে পারবো, আর লিখিয়ে দিতেও পারবো। বড় বাচ্চারা নিজেরাই খুঁজে নিতে পারবে। কিন্তু তারা হাতে ফোন পেলে শুধু পড়া টুকবে না, তারা তাতে আরো অনেক কিছু করবে, সেটা বলা মুশকিল। বাবা মাদের সম্ভব নয় সবসময় পাশে বসে থেকে পাহারা দেওয়া। টিচাররা যে বাচ্চাদের বোঝানোর জন্য সময় বেশী দেবে তার জন্য, এই প্রতিমাসে পরীক্ষার সিস্টেমটা বদলাতে হবে। পরীক্ষা কম হোক, মুখস্থ করার অভ্যাস কম করে, ব্ল্যাকবোর্ডে বাচ্চাদের দিয়েই বুঝিয়ে দেওয়ার প্রতিযোগিতা হোক।

(বিথির দিকে একবার তাকিয়ে) আমি গ্রামের গরিব ঘরের মেয়ে স্যার, আমার বাবার কাছে মোবাইল ছিল কিন্তু খুব সস্তা দামের।  বোতামওয়ালা, আগেকার দিনের ফোন। গ্রামের ছেলে মেয়েরাও পড়াশোনায় অনেক মনোযোগী হয়, শহরের মতো তাঁরা বাড়ির প্রশিক্ষণ পায় না, মোবাইলের সাহায্য পায় না, তাদের জ্ঞানের সাধন হয় শুধুই স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকারা। তাই আমার মনে হয় আমাদের কাজটাই প্রধান।

-এটা আপনি ঠিক বলেছেন, গ্রামের দিকে নেটের মাধ্যমে পড়ার সুযোগ অনেক কম। আজ তাহলে এই অবধিই থাক, প্রতিদিন আমাদের কর্মসূচি তো চলবেই, তার মাঝে মাঝে এরকম আলোচনা সপ্তাহে একদিন করে হওয়া দরকার। মিস স্বর, ছাত্র ছাত্রীদের জন্য আপনার এই সুচিন্তা, সত্যিই প্রশংসার যোগ্য। আমি চাই আপনারা সবাই এইভাবেই পড়ানোকে ভালোবাসুন।

মিটিং শেষ হয়ে যাওয়ার পর, অরূপ বাবু প্রিন্সিপালকে একটা চার্ট দেখাচ্ছিলেন। এক এক করে সবাই রুম থেকে বেরিয়ে গেলেন। ওখানেই বিথি অপেক্ষা করছিল, প্রিন্সিপালকে আবার নতুন কিছু বলার জন্য। শর্মিলাও রুম থেকে বেরিয়ে যাচ্ছিল, দরজার কাছে পৌঁছে হঠাৎ বিথিকে ওখানে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে, শর্মিলা আবার ফিরে গেল। শর্মিলাকে দেখে প্রিন্সিপাল বলে উঠলেন…

-কিছু বলবেন মিস স্বর?

-হ্যা স্যার, আমার একটা অনুরোধ ছিল

-বলুন

-ফাইভ, সিক্স, সেভেন আর এইটের যে ক্লাসগুলো আমি নিই, সে ক্লাসের হোমওয়ার্কগুলো যদি, ছুটি পড়ার আগেই আমি নেট থেকে বেছে, আমার ক্লাসগুলোতেই স্টুডেন্টদের বুঝিয়ে, লিখিয়ে দিই। তাহলে কি তা স্কুল কতৃপক্ষের বিরুদ্ধে যাওয়া হবে? তাহলে ওদের হোমওয়ার্ক করাও হয়ে যাবে, ওরা সেটা সম্বন্ধে জানতে, বুঝতেও পারবে আর ছুটিটায় একটু খেলতেও পারবে।

-বিরুদ্ধে যাওয়া হবে না, তবে এরকম তো আগে কখনো হয় নি!

-স্যার, পড়াশোনার সিস্টেমের কিছু কিছু পরিবর্তন করতে খুব ইচ্ছা করে। পড়াটাকে খুব সহজ করে দিতে ইচ্ছা করে। জানি আমি খুব সাধারণ, আমার কিছু করার ক্ষমতা নেই। তবু চেষ্টা করতে ক্ষতি কী বলুন! সেই চেষ্টায় যদি আপনাদের মত কিছু মানুষের সাহায্য পাই, তাহলে হয়তো কিছু পরিবর্তন হতেও পারে। আমি খুব আশাবাদী স্যার, শুরুটা না হয় আমিই করে দেখি, আমি করলে তবে তো অন্যদেরকেও আমি করতে বলতে পারবো। আর এই এক এক করেই হয়তো একদিন কিছুটা পরিবর্তন হবে আর সেদিনই হয়তো একটা সম্পূর্ণ আলাদা শিক্ষার নতুন ভোর হবে।

সম্পাদনা: জোবায়েন সন্ধি

কাজরী মজুমদার। লেখক। জন্ম ও ভিটেমাটি ভারতের কলকাতায়। বর্তমানে স্বামীর কর্মস্থলের সূত্রে দিল্লিতে বসবাস। গল্প, উপন্যাস, কবিতা ও সামাজিক বিষয়ে সরল ভাষায় লেখালিখি করেন। তিনি বিশেষত সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে লিখতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। এছাড়া বিভিন্ন ম্যাগাজিন আর পত্রিকায় নিয়মিত লেখালিখি করে...

এই বিভাগের অন্যান্য লেখাসমূহ

উত্তরাধিকার

উত্তরাধিকার

কাঁটায় কাঁটায় বিকেল চারটা পঞ্চান্নতে ডাইনিং রুমের উত্তরের দেয়ালে কাঠের ফ্রেমে বাঁধাই করা ফুলদানিতে বর্ণিল…..