নিশুতি বেহালা

সৌগত রাণা কবিয়াল
কবিতা
Bengali
নিশুতি বেহালা

মনবন্ধ

হাতটা ভেজা ছিলো,
বাতাসে তখন তপ্ত বালি,
দুচোখের মাঝখানে
লজ্জাহীন নোনা স্রোত…..!

মুখোমুখি বিকেলের জন্য প্রত্যাশাটাকে
আজকাল মনে হয় অলীক স্বপ্নঘোর…!

কেউকেটা জীবনটা যেন এক
জীবন্ত সমাধিফলক,
সেখানে নিয়তির উপর খোদাই
ঝাপসা একটা লেখা,

” জীবনের চাইতে বড় কোন মৃত্যু
দেখিনি তো কোন দিন…” !

 

অনর্থক

পূণ্য কয় হাস্যরসে,
“লয়-ঘুম তোর ভাঙবে কি ?”

পাপ হেসে কয় রূঢ় শ্বাসে,
“কলিতে তোর মূল্য কি ?”

সৃষ্টি দেখে দীর্ঘশ্বাসে,
ঈশ্বর ভাবেন,”করলুম কি ?”

 

মৃত্যু উৎযাপ

তথাপি, হাঁটু গুঁজে বসে আছি..!

শতাব্দীকালের দাসত্ব রক্তে মিশে
জন্ম দিয়েছে এক নতুন প্রজন্মের..!

সৃষ্টি বেচতে বিপনি বিতানে
নিলামের ভীড়ে স্রষ্টার মুখ…!

লজ্জায় মরে শিল্পের শিল্প
দেবতার গায়ে চামড়ার ঢোল..!

তথাপি, আমরা এখনো সভ্যই আছি…!

 

নিশুতি বেহালা

আরণ্যকের গল্পে শেকড়বাকড়,
পিঁপড়ে, বিছে, সাপখোপের বাস,
আরণ্যক তবুও সবুজ খুলে বসে থাকে…!

সূর্য বলেছে,
” আরণ্যকের বুকে তার খেলতে ভালো লাগে”…!

ভালোবাসলে কেও কেও আরণ্যক হয়ে যায়,
পায়ে শেকড়, বুকে মর্মর, শরীর পুড়ে ছাই,
তবুও মন জুড়ে নির্ঘুম মায়া রাত পুরোটাই …!

এই বিভাগের অন্যান্য লেখাসমূহ

অহমিকা

অহমিকা

অহমিকা আত্মগরিমায় আজ অন্ধ হয়ে আছো, বিবেকের দংশনে মননে নেই বিশ্বাস। কর্মে ব্যস্ততা সময়ের আবর্তে…..