লাটবাগানের সাড়ে তিন কাঠা

অনিরুদ্ধ চক্রবর্তী
গল্প
Bengali
লাটবাগানের সাড়ে তিন কাঠা

আমি ব্যান্ডেলে ভাড়া থাকি। উপরতলায় থাকেন বাড়ির বৃদ্ধ মালিক পরেশবাবু। নিচের তলায় তিনটে শোবার ঘর, একটি বসার ঘর, ঘর লাগোয়া দুটি বাথরুম। সব ক্যটিই আমার। বাড়ির সামনে অনেকটা ফাঁকা জায়গা। এক ধারে একটি বড় গাছ আছে। তার ছায়ায় অনায়াসে একটি বোলেরো গাড়ি রাখা যায়। না, তাই বলে আমি গাড়ি কিনিনি। বাড়িওলা যতই বলুক, ‘এটাকে নিজের বাড়ি বলেই মনে করবেন ডাক্তারবাবু, আমার ছেলে লন্ডন থেকে আর ফিরবে না, মেয়েও জামাইয়ের সাথে পুনেতে। এই বাড়ি নিজের মনে করে দেখভাল করবেন, আমি বয়স্ক মানুষ; কবে আছি কবে নেই—’ যাই হোক, তবু সেটা নিজের বাড়ি নয়। আসলে ব্যান্ডেল জায়গাটা আমার ভালো লেগেছে। বিশেষত, যেদিকে ভাড়া থাকি, একটা গ্রাম্য পরিবেশ আছে। আমি গ্রামের ছেলে। হাওড়ার এক প্রত্যন্ত গ্রামে আমার বাড়ি। গ্রাম থেকে বর্ধমান হাসপাতালে যাতায়াত করা অসম্ভব। আমার ইচ্ছে এখানে জমি কিনে বাস করা।

দালালেরা আনাগোনা শুরু করে। কিন্তু তারা যে সব খবর আনছিল তা আমার পছন্দ হচ্ছিল না। অবশেষে এক দালাল মারফতই খবর পেলাম মনোমত এক জমির। ব্যান্ডেলের ভিতরেই। গঙ্গার ধারে। জমির পরিমাণ সাড়ে তিন কাঠা। জায়গাটার নাম লাটবাগান। একদিন সময় করে দেখতে গেলাম। প্রাচীর ঘেরা অনেকটা ফাঁকা জমি। এমন জমিই তো খুঁজছি! ঘুরে ঘুরে দেখতে থাকলাম। একটা জায়গায় দেখে মনে হল, এখানে কোন কন্সট্রাকশন ছিল। কিন্তু আজ তার কিছুই আর অবশিষ্ঠ নেই।

বেশ কিছু বড় গাছ আছে জমিটাতে। গাছগুলোর মাথায় কেমন যেন অদ্ভূত ধরণের ঝোপ। কেন জানি মনে হল, সেখানে কী আছে। আমাকে লক্ষ করছে। কিন্তু বারবার সেদিকে তাকিয়েও কিছু দেখতে পাচ্ছি না। কেমন এক অস্বস্তি হচ্ছিল।

পরদিন মাঝরাতে আমি একটা অদ্ভূত স্বপ্ন দেখি। জমির ভেতর এক গাছ দেখেছিলাম। নিম-বট-অশ্বত্থের গাছ। যখন দেখি তাদের ডালপাতার বাহার ও গড়ণ আমার খুব আশ্চর্যের মনে হয়েছিল। কেন জানি গাছটা জীবন্ত। সেই গাছই স্বপ্নে হানা দিল। গাছের গায়ে এক রক্ত মাখা মুখ ফুটে উঠল। আমি সেই মুখে, গাছের গায়ে হাত দিচ্ছি। হাতে লেগে যাচ্ছে রক্ত! সেই মুখটা হা হা করে হেসে উঠছে আর বলছে, ‘মাখ মাখ, মুখে রক্ত মাখ!’

আতঙ্কে ঘুম ভেঙ্গে গেল। কাকে বলব, কি বলব ভাবতে ভাবতেই মনে পড়ল সেই সাধুবাবার কথা। স্থির বিশ্বাস জন্মাল, হ্যাঁ, একমাত্র তিনিই পারেন এই স্বপ্নের ব্যাখ্যা করতে। তাই সকাল হতেই চললাম সাধুবাবার কাছে। গঙ্গার ধারে তাঁর আশ্রম। একটি চেলা নিয়ে সেখানে তিনি বেশ আনন্দেই থাকেন। ধ্যান জপ করেন। বেশ কিছুদিন আগে তাঁর চিকিতসা করেছিলাম। লিভারের সমস্যায় ভুগছিলেন। ফি দিতে এলে সবিনয়ে তা নিতে অস্বীকার করায় তিনি বলেছিলেন, ‘যদি কোনদিন আপনার কোন কাজে লাগতে পারি, খুব খুশি হব।’

সব শুনে তিনি বললেন, ‘ওটা তো দেবত্তোর সম্পত্তি। মাঝে কিছু লোক বিক্রির চেষ্টা করেছিল। পরে থেমে যায়।’

‘কেন? থেমে গেল কেন?’ আমি কৌতুহলী হয়ে পড়ি।

‘যেই ওই জমি কিনতে আসে, পরে আর কেনে না। পিছিয়ে যায়।’

‘কেন বলুন তো?’ আমি আরও আগ্রহী হয়ে উঠলাম।

‘আসলে তারা স্বপ্নাদেশ পায়। ওখানে একটা কালীমন্দির ছিল। তান্ত্রিকও বাস করত। তখন এসব জায়গা জঙ্গলে পূর্ণ ছিল। সে সময় যে সব ফিরিঙ্গিরা জাহাজ ভর্তি করে এসেছিল, তারাও মায়ের আরাধনা করত।’

অবাক হয়ে বললাম, ‘মন্দির! কই, আমি তো কোন মন্দির দেখিনি!’

‘দেখবেন কী করে, নেই তো। সে সব কবেকার কথা। ওখানে আপনি একটা চাতাল দেখেছেন? ওর উপরেই নাকি মন্দিরটা দাঁড়িয়েছিল।’
মনে পড়ল। সেই কন্সট্রাকশনের কথা বলছেন তিনি। বললাম, ‘এখন আর বলি হয় না?’

‘না। পুজোপাঠও বন্ধ। সে আর এক কাহিনি। যাদের সঙ্গে আপনার কথা চলেছে, তারা কেউই এই জমির মালিক নন।’

মনের মধ্যে উদ্বেগ চেপে রেখে বললাম, ‘ওর মালিক কে তবে?’

‘তারা এখানে কেউ থাকে না। তারা দু’ ভাই। বড়ভাই আমেরিকার নাগরিক। ছোটটা জমি নিয়ে ঝামেলা করেছিল। কিন্তু ঈশ্বর তাকে শাস্তি দিয়েছেন। সে আর এমুখো হয় না।’

‘কি রকম?’ আমার গায়ে আবার কাঁটা দিয়ে উঠল।

‘সেও অনেকদিন হল। কুড়ি বাইশ বছর আগের তো বটেই। ছোট ভাই থাকে দিল্লিতে। পৈতৃক সূত্রে পাওয়া এই জমিটা সে বেচে দিতে চায়। এসে দেখলে জাঁকিয়ে মা কালীর পুজোপাঠ শুরু হয়েছে। এলাকার কিছু লোক যদি পুজোপাঠ নিয়ে মেতে থাকে, তাহলে আর জমি বেচতে পারবে না। সে জোর করে পুজো বন্ধ করে দিল। তারপর কি হল শুনুন—। তার দুই ছেলে। এক ছেলে, তিরিশ বছর বয়স তখন ছিল, গাড়ি চাপা পড়ে মরল। অপর ছেলেটা পাগল হয়ে গেল।’

‘এখন আমাকে কি করতে বলেন?’

‘জমিটার কথা না ভাবাই ভাল। আপনাকে একটা আংটি দিচ্ছি। দৈব আংটি। সব সময় পরে থাকবেন। এই নিন।’ বলে সাধুবাবা সেটিকে আমার আঙ্গুলে সেটিকে গলিয়ে দিলেন। আমি উঠে পড়লাম। আমি প্রণাম করলাম। সাধুবাবা আশির্বাদ করলেন। সেখান থেকে বাড়ি। টানা ঘুম দিলাম। মাথাটা ফ্রেশ হয়ে গেল। সন্ধেতে চেম্বারে চলে এলাম। আজ এত পেশেন্ট ছিল যে বলার নয়। এখন সোয়াইন ফ্লুর হাওয়া। ফলে সাধারণ জ্বর সর্দিতেও লোকে একদিনও না অপেক্ষা করে চেম্বারে চলে আসছে। রাস্তায় পা রাখলাম। গা-টা কেমন জানি ছমছম করে উঠল। এই তো, হেঁটে দশ বারো মিনিট গেলেই আমার বাসা।

হাঁটতে হাঁটতে জমিটার কথা মনে পরতে থাকল। কেন জানি মনে হয় সেটা আমাকে ডাকছে। মনে হচ্ছে কিনে নিই। বাড়ি বানাই সেখানে। একটা স্বপ্ন দেখেছি। আর তো কিছু নয়। আবার মনে পরে সাধুবাবার সাবধান বাণী, ‘ও জমি না রাখাই ভাল’ মনে পড়তে লাগল। আমি যখন এই দোলাচলে মগ্ন, বাড়ির কাছাকাছি এসে গেছি, তখন সেই নিকষ কালো অন্ধকার ফুঁড়ে একজন মানুষ আমার সামনে হাজির হল। সিড়িঙ্গে চেহেরার লোক। গায়ে রক্তবর্ণ ফতুয়া, রক্তবর্ণ ধুতি। বলল, ‘আমি পাঁচুগোপাল। আপনাকে সাধুবাবা একবার স্মরণ করেছেন।’ বললাম, ‘আপনি কে?’

সে বললে, ‘আমি সাধুবাবার চেলা। আপনি যখন গেছিলেন, আমি ছিলাম না। মাধুকরীতে গেছিলাম। তাই আমায় দেখেননি। আপনাকে ভুল আংটি দেওয়া হয়েছে। এটি ফেরত নিয়ে আবার নতুন একটি তিনি আপনাকে দেবেন।’

আমি ভাবলাম, বেশ হল। এটি বড্ড টাইট। নতুনটা ঢিলেঢালা হলে ভালো হয়। পথ ঘাট সুনসান। কেবল একটি দুটি কুকুর ঘুরে বেড়াচ্ছে। মন্ত্রমুগ্ধের মত পাঁচুর পিছুপিছু চলতে লাগলাম। কিন্তু পাঁচু আমাকে নদীর পারে নিয়ে গেল না। যেখানে সাধুবাবা থাকেন। সে আমায় নিয়ে চলে এল লাটবাগানের সেই জমিতে। নির্জন ও অন্ধকারময় জমিটিকে ঘিরে রেখেছে যে প্রাচীর তার পিছন দিকটা ভাঙ্গা। গুড়ি মেরে সেই ভাঙ্গা জায়গাটা দিয়ে ঢুকে পড়লাম। ভিতরে ঘুরঘুট্টি অন্ধকার। এবার টর্চের আলো দরকার। এতক্ষণ রাস্তার আলোতে কাজ হয়ে যাচ্ছিল। এখানে সেই উপায় নেই।

‘পাঁচুগোপাল! তুমি গেলে কই? আমাকে এখানে নিয়ে এলে কেন?’ যেন মাটি ফুঁড়ে উঠে এল পাঁচুগোপাল। সে বললে, ‘সাধুবাবা এখানেই আনতে বলেছেন।’

‘এত অন্ধকার। একটি আলো নিয়ে এসো।’

‘আনা যাবে না। সাধুবাবার বারণ।’

পাঁচুগোপাল আমার আগে আগে চলতে থাকল। ওকে তো বুঝতেই পারি না। অন্ধকারে মিশে আছে। যেন অন্ধকারের জীব। গাছের সামনে চাতাল। যেখানে এক মন্দির ছিল। মা কালীর মন্দির। তার খানিক তফাতে সে আমাকে দাঁড় করায়। বলে, ‘সামনে এক আঁটি খড় আছে। ওটা টেনে নিয়ে বসে পড়ুন।’

বসলাম। দপ করে একটা আলো শূণ্যে জ্বলে উঠল। তারপর সেটা ভাসমান অবস্থায় নেমে এল নিচে। চোখ কচলে নিলাম। ঠিক দেখলাম? নাকি অন্ধকারে সামান্য ঝিমুনি এসেছিল, তারই ফলশ্রুতি এটা? বেশি ভাবা গেল না। কারণ চোখ খুলেই দেখলাম সামনে এক লোক দাঁড়িয়ে। বলিষ্ঠ দেহ। গনগনে চোখ মুখ। দেখে মনে হল বয়স হলেও গায়ে প্রবল শক্তি।

সেই তান্ত্রিক আগুনের সামনে বসলেন। পরনে টকটকে লাল ধুতি। খালি গা। হাতে নরমুন্ড। এবার তিনি তাঁর আসনে বসলেন। হোমযঞ্জ শুরু হল। উদ্দাত্ত কন্ঠে সেই তান্ত্রিক মন্ত্র উচ্চারণ করে চলেছেন। হঠাৎ দেখি তাঁর পেছনে পাঁচুগোপাল। সে কখন গিয়ে বসল? মন্ত্রপাঠ শেষ হলে সেই তিনটি গাছে একটা মুখ ফুটে উঠল। আমি অবাক হয়ে দেখলাম এই মুখটাই আমি সে দিন স্বপ্নে দেখেছিলাম। আমার কাছে উঠে এল পাঁচুগোপাল। বলল, ‘চলুন যঞ্জবেদীর স্থলে। বলির সময় হয়েছে।’

‘তো বলি দিন।’

‘কিন্তু আপনি না গেলে বলি দেওয়া সম্ভব নয়। কারণ বলিটা আপনাকেই দেওয়া হবে।’

‘মানে?’ বলতে গিয়ে আমার গলা কেঁপে উঠল।

‘ঐ গাছ দেখেছেন? ওখানে যার মুখ ফুটে ওঠে আমরা তাকে বলি দিই। আপনি যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, তা নিছক কোন স্বপ্ন ছিল না। ছিল নিয়তি নির্ধারিত। সেদিন গাছের গায়ে আপনি নিজেরই মুখের ছবি দেখেছিলেন। যার মুখ এই গাছে ফুটে ওঠে, আমরা বুঝতে পারি মা তার রক্ত চাইছেন। নিন, এবার ঐ দৈব আংটি খুলে ফেলুন।’

বুঝে যাই এই আংটিই এখন বাঁচাতে পারে আমায়। আমি প্রাণপনে হাত চেপে ধরি। কিন্তু পাঁচুর হাতে যেন আসুরিক শক্তি। আমার আঙ্গুল থেকে জোর করে ছিনিয়ে নেয় সেটা। আমি বুঝি সব শেষ। এখন মরা ছাড়া কোন গতি নেই! তবুও দৌড় দিলাম। কিন্তু সে ধরে ফেলল আমায়। তারপর আমাকে মাথার উপর তুলে আছড়ে ফেলল যঞ্জবেদীর সামনে। সেখানে তখন শোভা পাচ্ছে এক বিশাল হাঁড়িকাঠ! তার সামনে উদ্যত খাঁড়া হাতে দাঁড়িয়ে আছে সেই তান্ত্রিক।

আমাকে হাঁড়িকাঠের ভেতর পুরতে গিয়েই তান্ত্রিক থমকে গেল। চিৎকার করে বলল, ‘পাঁচু, এটা কি এনেছিস?’ পাঁচু হাত জোড় করে বলল,’ কেন প্রভু? গাছে এনার মুখই তো আমরা দেখেছিলাম।’

‘কিন্তু একে যে বলি দেওয়া যাবে না। এ যে খুঁতো! আঙ্গুল কেটে কেমন রক্ত ঝরছে দ্যাখ! একে কি করে বলি দিই?’

‘তবে কি হবে প্রভু?’

‘কি আর, ঠিক লোককে দিয়ে না হলে যে সামনে থাকে তাকেই বলি দেওয়ার নিয়ম। তুই আত্মত্যাগের জন্য প্রস্তুত হ।’

‘না প্রভু, অমন করবেন না-’তাদের মধ্যে ঝটাপটি শুরু হয়ে যায়। আমি সুট করে সেই জায়গা থেকে বেরিয়ে আসি। সোজা গঙ্গার ধারে। দেখি সাধুবাবা ধুনি জ্বালিয়ে বসে আছেন। আমি সটান গিয়ে তাঁর পায়ে পড়ে যাই। তিনি আমায় তুলে ধরেন। বলেন, ‘অনেকটা কেটে গেছে। আমার ঘরে আয়োডিন আছে, লাগিয়ে দিচ্ছি।’

কাতর স্বরে বলি, ‘দৈব আংটিটা আমি হারিয়ে ফেললাম সাধুজী।’ তিনি মিষ্টি হেসে বললেন, ‘ওটা ছিল এক সাধারণ তামার আংটি। আপনার আঙ্গুলের চেয়ে এক সাইজ ছোট। ইচ্ছে করেই দিয়েছিলাম। আমি জানতাম এমন কিছু ঘটবে। ওরা আপনার উপর সম্মোহন করবে। সেটাই হয়েছে। কিন্তু ওই সাধারণ এক আংটির জন্য ওদের উদ্দেশ্য আমি সফল হতে দিইনি।’ আমি বলি, ‘ওদের পুলিশে দেবার ব্যবস্থা করতে হবে এবার।’ গম্ভীর গলায় সাধুবাবা বলেন, ‘সেটি আপনি পারবেন না, ডাক্তার।’

অবাক হয়ে বলি, ‘কেন?’ সাধুবাবা বলেন, ‘ওরা সব অশরীরী।’

আমার গা টা ছম ছম করে উঠল। সাধুবাবা বললেন, ‘আপনি চলে যাবার পর আমি ধ্যানে বসেছিলাম। আপনার জন্য একটা দৈব আংটি আমি তৈরী করেছি। এবার থেকে সেটা আপনি পরে থাকবেন। এটা ঠিক আপনার আঙ্গুলের মাপের। আপনার ফাঁড়া কেটে গেছে। ভয় নেই, আর কোন বিপদ হবে না।’

অনিরুদ্ধ চক্রবর্তী। গল্পকার। লেখকের দেশ-ভারতবর্ষ। জন্ম ১৯৭৬ সালে, ভারতবর্ষের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের হুগলি জেলার ছোটচৌঘরা গ্রামে। পড়াশুনো- বাংলা সাহিত্যে এম এ। জীবিকা- চাকুরি। প্রকাশিত বই- একটি। 'মশাট ইস্টিশনের মার্টিন রেল' (১৫টি গল্পের একটি সংকলন)।  প্রকাশিত গল্পের সংখ্যা দুইশত। পশ্চিমবঙ্গের নানা পত্র পত্রিকায়...

এই বিভাগের অন্যান্য লেখাসমূহ

উত্তরাধিকার

উত্তরাধিকার

কাঁটায় কাঁটায় বিকেল চারটা পঞ্চান্নতে ডাইনিং রুমের উত্তরের দেয়ালে কাঠের ফ্রেমে বাঁধাই করা ফুলদানিতে বর্ণিল…..