সাদা বাড়ি, নীল মেঘ

সৌহার্দ্য ইকবাল
গল্প
Bengali
সাদা বাড়ি, নীল মেঘ

সুলগনা লাইট অফ করে এগিয়ে গেল শোবার খাটের দিকে সরাসরি। ঘড়িতে বাজে মাত্র রাত সাড়ে দশ’টা, এখন শোবার মানে নেই, কিন্ত সুলাগনা শুয়ে পড়ছে। টেবিল ল্যাম্প জ্বেলে একবার দেখে নেয় খাম’টা। নতুন চাকরির অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার।একটা মসৃণ হলুদ খাম যেখানে দীর্ঘশ্বাস পড়ে নি বিশাল সূর্যের দিনের। সেখানে ঘামের চুমু নেই, ঘাসফুলও নেই।মিস্টার সেনের সাথে সে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত প্রকোষ্ঠে আধা ঘন্টা কাটানোর পর গলায় সাপ অনুভব করতে থাকে আর সেই সময় মিস্টার সেন তার দিকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার এগিয়ে দেয়। খামের মতই মসৃণ সাদা টেবিলে ঠেলে চলে আসে তার কাছে হলুদ খাম’টা। সাপ তখনও গলায় ছিল। মিস্টার সেনের হাত আবার চলে যায় ভুঁড়ির উপরই। যেন এই লোকের কোন অস্তিত্ব নেই, ভুঁড়িটাই কথা বলে। সুলাগনা কাঁপা হাতে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে কোন রকমে বের হয়ে আসে। ঘড়িতে বেলা সাড়ে তিনটে বাজছিল। সে সাধারণত বনানী বাজার থেকে মহাখালী আসে বাসে, আজ দেখা হয়ে গেল কলেজের বন্ধুর, ব্যবসা করে নিজের গাড়ি করেছে। তাকে সহজেই বাসায় নামিয়ে দিয়ে গেল, সারাটা রাস্তা সুলগনা ছিল খাম’টা বুকে চেপে। রুনি খেলছিল বাসায়, তাকে দেখেই সোজা কোলে এসে নাক ঘষতে শুরু করে। রমেশ তাকে দেখে দুর্বলভাবে হাসে, যেন সে জানে যে হলুদ খাম ম্যাজেন্ডা ব্যাগে খুব যত্নে রেখে দেয়া আজ।

সুলগনা জানে না রমেশ কখন খাবে, কখন শুতে আসবে। রমেশ তাকে শুকনো গলায় বলেছে, ‘কংগ্রাচুলেশন’ – সে কিছু বলে নি।বলা যায় বলতে ইচ্ছে হয় নি তার, খানিকটা জ্বালা নিয়েই সে সরে এসেছিল।এরপর থেকে সে রমেশ’কে দেখে নি, জানে না মানুষটা কোথায় আছে এই শহরে। ফোন করে জেনে নেয়া যায়, তাতে কোন লাভ হবে কি ? কিছু ফর্মাল উত্তর দিয়ে সে ফোন কেটে দিবে। বাসায় ফিরবে গভীর রাতে মুখে সিগারেট আর মদের উৎকট গন্ধ নিয়ে। এই চাকরি তার দরকার রমেশ’কে ছাড়ার জন্য, নিজের পায়ে দাঁড়াতে। এইভাবে জীবন চলে না। একেবারে সম্পর্কহীন দু’জন মানুষ দিনের পর দিন বিছানায় রাতে ঘুমোয়, এটা একটা শাস্তি। শুধু তাই না, রমেশ আজকাল সম্ভবত অন্য নারীদের সাথে সময় কাটাতে শুরু করেছে। এসব সে বুঝে, সুলগনা একদিন ক্ষেপে বলেছিল বাসায় না ফিরতে, মেয়েলোক নিয়ে বাইরেই পড়ে থাকতে… রমেশ তাকে চড় মেরে বলেছিল বাসা থেকে বের হয়ে যেতে কারণ বাসা রমেশের। সুলগনা সারারাত কেঁদে আর কিছু করতে পারে নি, তার বাবা নেই, মা থাকে ভাইয়ের সংসারে এবং সেই ভাই মা’কে শান্তিতে রাখে নি। রাজ্যের সস্তা জিনিস মা’কে দেয়, মা কিছু বলতে পারে না। একদিন গিয়ে দেখে মা ভাতের সাথে শুধু তরকারির ঝোল দিয়ে ভাত খাচ্ছে,কোন সবজির টুকরো পাতে নেই। এমন ছোটলোক কিভাবে মানুষ হয় ? সে সামনের মাসেই বাসা নেবে এবং মা আর রুনি’কে নিয়ে উঠে যাবে। রমেশ’কে সে পাঠাবে ডিভোর্স লেটার, অনেক হয়েছে। এই কষ্টের লাফ শেষ করা দরকার সুলগনার। এইভাবে চলে না, ভাগ্য ভাল তার বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রী একটা আছে। রমেশ কখনই চায় নি সে বাইরে চাকরি করুক কারণ রমেশ সেই ধরণের মানুষ যে বিয়ে করে বৌ-কে বাসার ঝি’য়ের বিকল্প হিসেবে। কিন্ত সুলগনা পেরেছে রমেশ’কে বুঝাতে যে সে একসাথে থাকতে পারবে না রমেশের সাথে এবং চাকরি নিয়ে চলে যাবে। রমেশ ভেবেছিল সে চাকরি পাবে না, রমেশের ধারণা সত্যিও ছিল। বাসায় বসে বসে সুলগনার ধারণা ছিল না চাকরির বাজার নিয়ে, শেষপর্যন্ত সে দূরসম্পর্কের মামা’কে গিয়ে কাঁদতে কাঁদতে নিজের কষ্টের কথা বলে। আর কিছুই তার করার ছিল না, এইভাবে তার মামা দিয়ে মিস্টার সেন’কে কনভিন্স করা ছাড়া।

সুলগনা ভাবতে পারে না, চোখ বন্ধ করে ঘুমোতে চেষ্টা করে। ঘুমের মাঝেও সুলগনা দেখতে পায় মিস্টার সেনের ভূড়ি। সমস্যা হচ্ছে যে মিস্টার সেনের গায়ের কাপড় নেই, তার নাভিমূল নিয়ে তিনি মোটেও বিব্রত নন এবং এই নগ্ন অবস্থাতেও ভদ্রলোক পড়ে আছেন গ্লাস। শেষপর্যন্ত সে ঘুম থেকে উঠতে পারে, এদিকে ঘড়িতে বাজে ভোর সাড়ে চারটা। রমেশ মুখ হা করে উৎকটভাবে ঘুমোচ্ছে। সুলগনা দ্রুত ওঠে বিছানা থেকে, ফ্রেশ হয়ে এই ভোরবেলা চলে যায় মেয়ে’র রুমে। একমাত্র মেয়ে রুনি।

রুনি’কে ধীরে ধীরে ডাকতে থাকে সুলগনা। কিন্ত রুনির ঘুম না ভাঙায় তার মায়া হলো, সে আর না ডেকে চা বানিয়ে বসার ঘরে গিয়ে ল্যাপটপ চালু করে এবং তখনি আবার গুটি গুটি পায়ে সে মেয়ে’কে আসতে দেখে। রুনি’কে ধরে গালে বেশ থ্যাবড়া একটা চুমু দিয়ে দিল সুলগনা।

‘তোমাকে একটু আগে ডাকছিলাম, খুব তো ঘুমুচ্ছিলে!’

‘আমি টের পাই নি তো আম্মু’

‘ওকে সোনামণি, স্কুলের জন্যে রেডি? ক্লাসেনা?’

‘হুম, তাই তো মনে হচ্ছে’

‘তোমার বস কি অনেক মোটা?’

‘হুম, অনেক মোটা। অনেক ভূড়ি’

‘ভুঁড়ি কেন হয় আম্মু’

‘অনেক টাকা খেলে ভুঁড়ি হয়’

‘আম্মু, আব্বুর কি ভুঁড়ি হবে, আব্বু টাকা খায় না’

‘আব্বু অনেক সিগারেট খায় তো তাই টাকা সব পুড়ে যায়। আর টাকা খাবার থাকে না’

সিগারেট নাকি টাকা খাওয়া ভাল এই জাতীয় ছবি মাথায় নিয়ে রুনি গেল ওয়াশরুমে, সুলগনা যায় নাস্তা বানাতে মেয়ের জন্য, নিজের জন্য। এমনকী রমেশের জন্যেও। কিন্ত এই সাতসকালে কলিংবেল বেজে উঠলো।

একজন অসম্ভব সুন্দরী মেয়ে’কে এই সাতসকালে দরজায় দেখে বিস্মিত হয় সুলগনা, কিন্ত মেয়েটা’কে সে দ্রুতই চিনতে পারে, মিস চাঁদনী। মিস্টার সেনে’র অফিসের সেক্রেটারি। সুলগনা প্রশ্ন নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে, মেয়েটা হাসিমুখেই তার দিকে তাকিয়ে, সুলগনা বুঝতে পারে না। শেষে দরজা থেকে সরে দাঁড়ায় মিস চাঁদনী’কে বসার ঘরে ঢুকতে।

সুলগনা প্রশ্ন নিয়েই তাকিয়ে থাকে, চাঁদনী বুঝতে পারে। সে বলতে শুরু করে সরাসরি, সুলগনা গল্পে ঢুকে যায়। এক দুঃখী মেয়ের গল্প, যার জগত সংসারে কেউ নেই একটা দুই বছরের বাচ্চা ছাড়া। মেয়েটিকে কল্পনায় আঁকতে থাকে সুলগনা। একটু একটু করে যেন সে সুলগনা’র কথা শুনে আর তুলি দিয়ে মেয়েটার ছবি আঁকতে থাকে এবং একটা সময় মেয়েটার ছবি তার কাছেই স্পষ্ট হয়ে পড়ে। চাঁদনী বেশ ভাল গল্প করতে পারে।

সুলগনা চাঁদনী’কে এর মাঝে নিরীক্ষণও করে ফেলে। তার ফর্সা মুখে অসম্ভব বড় সুন্দর চোখে অসম্ভব সপ্রতীভ আর আত্মবিশ্বাস, কেবল প্রেমিকের চুমু পেলেই তা হয়তো সলজ্জ হবে। এক রাশ কাল চুল মুখের সামনে মাঝে মাঝেই চলে আসছে, সে চুল বাঁধে নি বলে হয়তো বার বার সরাতে হচ্ছে।তার নাক ঠিক তীক্ষ্ণ নয় তবে বারবার ছুঁতে ইচ্ছে হতে পারে আর নাক-ঠোঁটের গণিত মিলে যেন কমলার কোয়ার মত ঠোঁট। এই সস্তা সোফায় বসে এই অপরূপ সুন্দরী মেয়েটা এসব কি বলছে এখন, কেন বলছে? সুলগনা সামনে বসা মেয়েটার প্রতি আকর্ষণ বোধ করে, যে অনুভূতির সাথে সে ঠিক পরিচিত নয়। মেয়েটা’কে যদি সে নগ্ন দেখতে পারতো ভাল লাগতো হয়তো, কিন্ত সেটা কি স্বাভাবিক? সুলগনা চোখ ফিরিয়ে নিল লজ্জায়, তার মাথা খেয়েছে সাত সকালে কেউ। অফিসের সময়ও হয়ে এলো, রিনি যাবে স্কুলে। চাঁদনী থামতেই সুলগনা বলে, সে কি করতে পারে একজন অসহায় মেয়ের জন্য!

‘আপনার চাকরিটা ওকে দিতে হবে, মিস্টার সেন আপনাকে যোগ্যতা নয়, পরিচিতির খাতিরে চাকরি’টা দিয়েছে, আপনি এটা ওই অসহায় মেয়ের জন্য রিকমেন্ড করবেন যে আসলে কোয়ালিফাইড এনাফ।’

‘আপনার কাছে প্রমাণ আছে কোন?’

‘হ্যাঁ আছে। সেটা আপাতত চাইছিলাম না বলতে, তাই চেপে যাচ্ছি এখন’

‘বেশ। এত মায়া হলে আপনি কেন ওর ব্যবস্থা করছেন না?’

‘করেছিলাম, এই যে আপনার পোস্ট’টা কিন্ত মিস্টার সেন আপনার মামা’র বন্ধু হওয়ায় সব ইচ্ছে আমার ভেসে গেল তাই আজ আপনার এখানে বাধ্য হয়ে এসেছি’

‘দেখুন আরও চাকরি আছে, আমার এই চাকরি দরকার। আমি আপনার কথা শুনব না’

‘আপনি অফিসে টিকতে পারবেন এই অবৈধ নিয়োগ নিয়ে?’

‘অবৈধ বলছেন কেন, আপনার কাছে কি প্রুফ আছে?’

‘প্রুফ আছে, মিস্টার সেন আমাকে নিজেই বলেছেন যে ওনার বন্ধুর রিকমেন্ড ফেলতে পারবেন না এবং মিস্টার সেন আমাকে দিয়েই আপনার লেটার টাইপ করিয়েছেন। কিন্ত তার আগে আমি ওই মেয়ের লেটার টাইপ করে মিস্টার সেন’কে পাঠিয়েছিলাম, সেই মেইলের কপি’তে টাইম লেখা আছে এবং সেটা ইমেইল করা মিস্টার সেন’কে। ইমেইলের সময়ে নিশ্চয়ই কেউ ভুল ধরতে পারে না!’

‘আপনি কি চান?’

‘খুব সহজ। আপনাকে অফিসে যেতে হবে না। মেইল করে দিন যে চাকরিতে ইচ্ছুক নন আপনি’

‘এত সহজ?’

‘জি হ্যাঁ, এত সহজ। আপনি তো জানেন যে বড় কোম্পানীতে ইউনিয়ন থাকে। আপনি যদি না রিজাইন করেন আমরাই আপনাকে সরিয়ে ফেলব’

সুলগনা’র বড্ড কান্না আসে কিন্ত সে চোখ-মুখ শক্ত করে থাকে। চাঁদনী শান্তভাবে উঠে চলে যায়। সে সোফা থেকে উঠেই দেখে জগতের কুৎসিততম মানুষটা তার দিকে তাকিয়ে আছে হাসিমুখে, বোঝাই যাচ্ছে যে আড়াল থেকে সব শুনেছে। আশ্চর্য – এই মানুষটাকে কিভাবে সে ভালবেসে বিয়ে করেছিল?

সুলগনা সোজা ঘরে গিয়ে ব্যাগ গুছাতে শুরু করে। রুনির আর স্কুলে যেতে হবে না। সে বের হয়ে পড়বে এখন, কোথায় যাবে জানা নেই। রমেশ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তাকে দেখছে। কুৎসিত কয়েকটা গালি ছুঁড়ে সে সুলগনা’র চুলের মুঠি ধরে তাকে একপাশে ছুঁড়ে ফেলে। সুলগনা হাতের কাছে পাওয়া কাঁচের ফুলদানী সোজা ছুঁড়ে মারল। অব্যর্থ নিশানা। রমেশ দেয়াল ধরে মেঝে’তে পড়ে যায়। সুলগনা দ্রুত ঘর থেকে বের হয়ে ভয়ে কাঁপতে থাকা রুনি’কে ঘর ছেড়ে বের হয়ে যায়। সে সবকিছু রেখেই, শুধু ভ্যানিটি ব্যাগে তার শেষ সম্বল হিসেবে রাখা কিছু টাকা নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে পড়ে। সে রুনি’কে সাথে নিয়ে শহরের রাস্তা ধরে হাঁটতে থাকে। প্রায় পনের বছর আগে যখন এই শহরে সে এসেছিল, সাধারণ দরিদ্র ঘরের মেয়ে হিসেবে, তার স্বপ্ন ছিল যে কোন আকাশ ছোঁয়া ভবনের ছোট্র একটা ফ্ল্যাটে নিজের ঘর-সংসার থাকবে। একেবারে শহুরে কবুতরদের মত। দিনের পর দিন সেই স্বপ্ন থেকে গ্যাছে এবং সেই স্বপ্ন পূরণের পর সেই স্বপ্নই তাকে শেষ করে দিচ্ছিল প্রতিনিয়ত। আজ নয় বছরের সংসার শেষ করে সে বাইরে চলে এসেছে আবার, এইবার সাথে শরীরের আরেকটা স্বাধীন অংশ – তার মেয়ে রুনি। কোথায় যাবে সে? খাবেই বা কি? সে কি মিস্টার সেনের কাছে গিয়ে সব খুলে বলবে নাকি সেই সেক্রেটারী মেয়েটিকে বলবে অনুরোধ করে তাকে মাসখানেক অন্তত চাকরিতে থাকতে দিতে? সেটাই হয়তো বাস্তব ভাবনা। রুনি’কে নিয়েই সে অফিসে যায় জয়েন করতে, পুরো দেড় ঘন্টা লেট। অফিসের সবাই অবাক তাকে দেখে, কারণ তার সাথে তার মেয়ে এবং সে লেইট। তাকে ডেস্ক দেখিয়ে দেয় চাঁদনী। রুনির বসার জায়গা নেই, সেইটা একটা সমস্যা দাঁড়িয়ে গেল কিন্ত অফিসেই দেবতুল্য একজন মানুষ এসে তাকে নিয়ে গেল নিজের বড় অফিসে।

দিনের শেষে, চাঁদনীর কাছে যায় সুলগনা। বলে মাসখানেক পরেই সে চাকরি ছেড়ে দিবে। চাঁদনী কিছুক্ষণ তাকিয়ে বলে,

‘তুমি কই থাকছো?’

‘ঠিক জানি না, মনে হয় কোন বান্ধবীর বাসায় যাব! ভাবি নি’

চাঁদনী মাথা নাড়ে, এক মাস সময় দেয় সুলগনা’কে। ঠিক সেই সময় তার মনে পড়ে রুনির কথা। কোথায় আছে তার মেয়েটা? তার শরীরের আলাদা চলন্ত মাংসপিণ্ড।

ক্যানাডার ডালহৌসি বিশ্ববিদ্যালয়য়ে এক্সপেরিমেন্টাল বায়োফিজিক্‌স-এর গ্রাজুয়েট স্টুডেন্ট।  দেশে স্নাতক পর্যন্ত পড়াশুনা করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা বিভাগে। ২০১৬ সালের এপ্রিলে উচ্চশিক্ষার কারণে দেশের বাইরে যাওয়া। ব্লগার হিসেবে পরিচয় খুবই সামান্য, ২০১২-২০১৪ সাল পর্যন্ত মাঝে মাঝে মুক্তমনা, নবযুগ, আমার ব্লগ ও সামহোয়ার ইন ব্লগে লিখেছেন। একাডেমিক...

এই বিভাগের অন্যান্য লেখাসমূহ

উত্তরাধিকার

উত্তরাধিকার

কাঁটায় কাঁটায় বিকেল চারটা পঞ্চান্নতে ডাইনিং রুমের উত্তরের দেয়ালে কাঠের ফ্রেমে বাঁধাই করা ফুলদানিতে বর্ণিল…..