হিটলারে রাবণ নাই

রাহেবুল
কবিতা
Bengali
হিটলারে রাবণ নাই

ওহি

অসুখের ভাণ্ড সখা, তুইমুঁই। মিলিয়েছিলাম বাজারেহাটে বিকোতে বিকোতে গোলালু।
এ সময় আলুর দোষ কথাটির প্রচলন হয়।
শূয়োরের পুটকির মতন মুখ করে বসে আছি, সোনালী সকাল।
গুজব হস্তে বশ।
পাছা দুলছে। দূর হতে কান্ট্রি সং, রাখালিয়া। দুলুনি।
(বা) ট্রলার ডুবছে ঝড়-সমুদ্রে, সেই ট্রেলার স্ক্রিনে উচ্ছ্বাসি। সেই নাখান।
ওহি পৌঁছে দিতে ডমরুধর নাথিংনেস সকাশে।
ওহি ফাঁস গয়ি দিল মেরা, এই কানাকানিও গসিপায়িত। রে হুর ছিল একজনা।

চাষা আর চণ্ডীদাস

এত দড়ি ঝুলছে কেনো?
দোলনা? দোদুল স্মৃতি-বিস্মৃতি।
ঝুলে পড়বার বন্দোবস্তও হতে পারে
ঝুলে পড়া মানেও তো হরেক কিছু, শতেক তার প্রকার
পছন্দ করি তার মধ্যে গলায় দড়ি ঝুলে পড়া।
উদাহরণস্বরূপ চাষা আর চণ্ডীর দাসে এখানেও এক।
কে ঝুলিয়েছে এইসব দড়ি?
উচিত ছিল: তার কথাই রাষ্ট্র হওয়া।

হিটলারে রাবণ নাই

ওকি ও এইসবই হলো গিয়ে সেই ভাট। ভাটের গপসপ
উদাল নাইটমেয়ার, কাঁপো ক্যাঁ? ওলো কাঁপো ক্যাঁ? কাঁদো?
ঠকবাজ। ঠকরাজ। ঠেকবাজ। কত কি এ ভবে হতে পারা ধ্বন্যিমেয়ে—
চুলকিও না প্লিজ।
সাধে দেয়াল তুলি।
“হজমি লেবে হজমি?”
তেতো নেবুর কথা ভাবি সোনাবন্দে—
“হিটলারে বারণ নাই।” আদমমানুষেও জানিত এ রটনা? (প্রমাণসাপেক্ষ)

 

সাদা ট্রমা + সিজনাল ফ্লু

নেবু গন্ধ। লেবুর টক। কমলালেবুর জুস। সন্তরা বলি।
অপ্রসঙ্গত: স্যান্টার নাচনকোঁদন ঘিলু জুড়ে।
“বন্ধু বিনে প্রাণ বাঁচে না”, গাছাগল্প শোনাতেছে হে রাধারমণ।
সাদা ট্রমা, সখা পাতাবি? আমা সনে?
“যে বাঙ্গা ফলে তার দো-পাতাত চিন্” তুলনীয় “উঠন্তি মুলো পত্তনে চেনা যায়”,
এই সকল সত্য? নিত্য?
মায়া মা মায়া। তুমি খেয়াল করোনি কেনো ক্ষুরের ধার, এতকাল?
… সকল বিষআশয় এলোরে মেলো চুল।
লক্ষণীয়: এক পাণ্ডববর্জিত দ্যাশ
ঘোড়া ডিঙিয়ে; কাহে একাকিনী, মোর সিজনাল ফ্লু?

রাহেবুল। কবি। জন্ম- ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দ, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের আলিপুরদুয়ারে। লেখালেখি শুরু দ্বিতীয় দশক থেকে। মূলত কবিতার পরীক্ষানিরীক্ষা, বিকল্প ধারার লেখালেখি নিয়ে ঘরসংসার। আবহমান বাংলা কবিতা ও বিকল্প ধারাগুলি আত্মীয়করণে নিয়ত নূতন। ইবলিশ নামের ছোট পত্রিকা সম্পাদনার সাথে যুক্ত। প্রকাশিতব্য প্রথম বই-...

এই বিভাগের অন্যান্য লেখাসমূহ

ফেরা

ফেরা

ফেরা অনেক দিন আসিনি তোমার চোখের কোণে, বুকের পাশে, নিঃশ্বাসের চারপাশে। ভেবো না আমি পথ…..