আবদুল বাতেন
কবিতা
Bengali

পা পদ্মে তোমার

 

পা পদ্মে তোমার

হুড়মুড় করে চুমু খাচ্ছে বৈকালিক বখাটে রোদ

যেনবা তিন দিনের না খাওয়া লোক গিলছে বিরিয়ানি

 

পার্কের বেঞ্চিতে বর্ণালি তুমি, পাশে পানির বোতল

আইফোনের আঠালো স্ক্রিন থেকে নজর ফেরালে

সে চুরমার করা চাহনিতে

সবুজ শার্টের বোতাম খুলে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে গাছের পর গাছ

কথা না বলা কুঁড়িরা আড়মোড়া ভাংছে ডালের দোলনায়

সোহাগ বুকে তুলে মলয় খেলছে বউচি বউচি খেলা

 

আর আমার অধৈর্য অধর

তোমার পায়ের কাছে পড়ে আছে চিবানো চুইনগামের মত, বড় বিধ্বস্ত

 

প্রতিজ্ঞা

 

হাঙ্গর হজম করবে বলে নামিনি নদীতে

ভেসে যাবার ভয়

পুষি না কলিজায়

তরঙ্গ তিমিরে জানি সাঁতার সাবধানে

ডুবে মরার ডর

নেই একান্ত অভিধানে

শিখেছি কুমিরকে কব্জা করতে আমিও

ধসে যেতে যেতে

চর হয়ে জেগে উঠবো অদূরে

 

 

দহন

 

দিনদিন অন্তর্গত শূন্যস্থানের বিশালতা দেখে আঁতকে উঠি

অতলস্পর্শী খাদের দিকে তাকিয়ে ভয়ে জড়োসড়ো হয়ে যাই

মূর্খতার মহাবিশ্ব ঠেলে ঠেলে কি করে আঁকবো একটি নিজস্ব বিন্দু

কি করে টানবো একটি অচেনা রেখা অন্ধকার গর্তে হাবুডুবু খেয়ে

 

বিপুল ঘাটতির পরেও আমি স্বপ্ন পুষি, পৃথক পথের; একটি পৃথক পৃথিবীর

কষ্টের ককপিটে মেলে ধরি প্রত্যাশার পাপড়ি, রংধনু আকাঙ্ক্ষা

সমীর শিহরণ কতিপয় আলতো ঢুকে পড়ে দুঃখের দরজা ঠেলে

সুপ্রভাত- বলে আমি ডেকে উঠি, কেঁদে উঠি মধ্যরাতের বধ্যভূমিতে

 

এই বিভাগের অন্যান্য লেখাসমূহ

যবনিকা

যবনিকা নিজের সঙ্গে অহরহ যে যুদ্ধ সেই যুদ্ধে আহত নিজের মন । তার ভেঙে গেছে…..