আপ্লুত রজনী
কৈশোরের এক রাজকন্যা অভিভূত পৃথিবীতে এখনও অনন্যা অবাক জানায় অনুভবে আছি স্মৃতির মৌমাছি আমাদের মায়াবী…..
অল্প জলের শব্দগুলো
ভীষণ রকম সন্ধ্যে চায়,
তোর দুয়ারে হাঁকছে আমার
অল্প রঙের পদ্য-ছাই।
গোছানো ছায়া, শান্ত মাঠ,
তোর কপালে রৌদ্র-টিপ।
সমুদ্রে জল শুকিয়ে যাক
বুকের ভিতর ফেলছি ছিপ।
মরুর ওপরে তীব্র রঙ,
গোলাপ টবে উঠল ঘাস।
তোর পাড়াতে আবার আসা
উড়ান পথে মেঘ উড়াস।
অনেক দূরের গল্প মাঝে,
জায়গা রাখা তোর পাশে।
ভিলেন এসে চোপাট করে
এমন ঘুমও প্রায় আসে ।
কখনও তোকে খুব মনে পড়লে আমি হেঁটে যাই
অতীতের দরজায়। কড়া নাড়ি।
সাড়া না পেলে দরজার সামনে বসে অপেক্ষা করি কিছুক্ষণ।
ক্ষণে ক্ষণে মনে হয় এই বুঝি কেউ এসে খুলল দরজা,
তুই কিংবা তোর ছোট ভাই।
অতীতের অভিমান খুবই শক্ত হয়।
তুইও কি সেই শক্ত মানসিকতায় মুড়িয়ে নিয়েছিস নিজেকে?
আমি বলতে এসেছিলাম, আমাদের মৃত্যুর কথা …
আরেকবার জন্ম নিলে হয়না!
কেবল বর্তমান থাকবে আর কোনও কালের অস্তিত্ব রাখব না।
আবার আসব আমি। অপেক্ষা করিস দরজায়।
সেইবার নিয়ে যাব সাথে …
অন্ধকূপের দেওয়ালে নখের আঁচড়
কেটে কেটে স্বাধীনতার রাস্তা এঁকেছে ওরা।
কে বলেছে বাইরের আলো-বাতাস
সহ্য হবে না ওদের, কাদের পরম্পরা?
পাশ কাটিয়ে লাশ তোলে রব
এখান থেকে কয়েক মাইলের পরে,
ধরার আগেই সব পুড়িয়ে শেষ,
কে বাঁচাবে, কাকে মারার পরে?
হাত ছুঁড়ে দেয় পা ছোঁড়ান বাকি
ভাঙ্গছে যখন ভাঙ্গুক অনুভূতি,
হোঁচট খেয়ে সব আয়োজন শেষে
জানাক্ এসে কার কি সম্মতি।
কৈশোরের এক রাজকন্যা অভিভূত পৃথিবীতে এখনও অনন্যা অবাক জানায় অনুভবে আছি স্মৃতির মৌমাছি আমাদের মায়াবী…..
ভালো আছো, ভুলে আছো একটাই আঙুল একটাই সেতার যতোবার সুর তুলি তোমার নাম ততবার একটাই…..
প্রতীক্ষিত প্রেম চোখের চাহনিতে গভীর প্রণয় অন্তরে তৃষ্ণা সুধায়, একপলক দৃষ্টি আকুলতার নিঃশ্বাসে প্রতীক্ষার অন্তিম…..
মাঝরাতে বেড়াবার একদিন মাঝরাতে ঘুরে বেড়াবার ইচ্ছা হলো আঁধারে কপাল ঠুকে বেরিয়ে পড়লাম সটান দূরের…..